চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রাণিবিদ্যা অলিম্পিয়াড ২০২৫ এর চট্টগ্রাম অঞ্চলের বাছাই পর্ব শনিবার প্রাণিবিদ্যা বিভাগ ও বাংলাদেশ প্রাণিবিজ্ঞান সমিতির যৌথ উদ্যোগে চবি প্রাণিবিদ্যা বিভাগে অনুষ্ঠিত হয়। এতে কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে দুটি ক্যাটাগরিতে বাছাইপর্ব অনুষ্ঠিত হয়। অলিম্পিয়াডে কলেজ ক্যাটাগরিতে চট্টগ্রাম অঞ্চলের ১৫টি কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাটাগরিতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ২৫০ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রো-ভিসি (প্রশাসন) প্রফেসর ড. মোঃ কামাল উদ্দিন। এই অলিম্পিয়াডের আহ্বায়ক ছিলেন বাংলাদেশ প্রাণিবিজ্ঞান সমিতির আঞ্চলিক সম্পাদক ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের প্রফেসর ড. সৈয়দা ইসমত আরা। এই অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন প্রাণিবিদ্যা বিভাগের সভাপতি প্রফেসর ড. মোসাম্মৎ রাশেদা চৌধুরী। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রো-ভিসি (প্রশাসন) প্রফেসর ড. মোঃ কামাল উদ্দিন বলেন, সকল প্রাণীর ক্ষুধা, ঘুম স্বাভাবিক বাসনাগুলো থাকলেও মস্তিষ্ক দিয়ে গভীর চিন্তা করা কিংবা নতুন কিছু আবিষ্কার করার ক্ষমতা একমাত্র মানুষকেই দেয়া হয়েছে।

আর মানুষকে ইনটাইটেলড করার জন্য অন্য প্রাণীদের সৃষ্টি করা হয়েছে। তাই এ সকল প্রাণীদের প্রতি আমাদের একটা দায়িত্ব রয়েছে। কিন্তু দেখা যায় আমাদের সাথে অন্য প্রাণীদের বৈরী সম্পর্ক রয়েছে। প্রাণীদের সাথে আমাদের সম্পর্ক উন্নয়ন করা প্রয়োজন, কারণ প্রাণী জগতের কোন ক্ষতি মানেই জীববৈচিত্রের ক্ষতি। ভিসি অলিম্পিয়াড আয়োজক, অংশগ্রহণকারীসহ সবাইকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান। আয়োজকরা জানান, পারিপার্শ্বিক বাস্তুতন্ত্র, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং যথোপযুক্ত পরিবেশ বজায় রাখার বিষয়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে আগ্রহ ও সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগ ও বাংলাদেশ প্রাণিবিজ্ঞান সমিতির যৌখ উদ্যোগে এ বছর ১২তম প্রাণিবিদ্যা অলিম্পিয়াড অনুষ্ঠিত হয়।

অলিম্পিয়াডের শুরুতে জীববিজ্ঞান অনুষদ থেকে মেরিন সায়েন্সস এন্ড ফিশারিজ অনুষদ পর্যন্ত একটি র‌্যালি হয়। তারপর শিক্ষার্থীদের লিখিত ও ভাইবা পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। বিজয়ীদের মধ্যে থেকে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাটাগরিতে দুইজন এবং কলেজ ক্যাটাগরিতে দুইজন করে মোট চারজন জাতীয় পর্যায়ে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করবেন। প্রেসবিজ্ঞপ্তি।