রাজবাড়ীর কালুখালীতে জামায়াত কর্মী আসাদুল ইসলামের হত্যাকাণ্ডের মোটিভকে ভিন্ন দিকে ঘুরিয়ে দেওয়ার অপচেষ্টা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন রাজবাড়ী জেলা জামায়াতের আমীর এডভোকেট মোঃ নূরুল ইসলাম।

রাজবাড়ীর কালুখালী উপজেলার মদাপুর ইউনিয়নের বায়তুলমাল সেক্রেটারী, ৬ নং ওয়ার্ড বিল মানুষমারি গ্রামের মো আসাদুল ইসলামকে (২৪) নৃশংসভাবে হত্যায় জড়িত সকল আসামিদের অবিলম্বে গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী রাজবাড়ী জেলা শাখার আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন।

আজ (১৮ জুন, বৃহস্পতিবার) সন্ধ্যা ৬টায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী রাজবাড়ী জেলা শাখার কার্যালয়ে এই সাংবাদিক সম্মেলন আয়োজন করা হয়।

এডভোকেট মোঃ নূরুল ইসলাম বলেন, ধৃত আসামি ১৬৪ ধারায় যে জবানবন্দি দিয়েছে সেখানে ৬৮ হাজার টাকা ধারের পাওনার কথা উল্লেখ নাই; অথচ পরবর্তীতে দেখা যায় যে ধারের পাওনা ৬৮ হাজার টাকার জন্যই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে বলে প্রচার হচ্ছে, যা এই হত্যাকাণ্ডের মোটিভকে ভিন্ন দিকে ঘুরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা বলে আমাদের মনে হচ্ছে। আমরা এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই এবং এই হত্যাকাণ্ডের মোটিভকে ভিন্ন দিকে ঘোরানোর চেষ্টাকে প্রত্যাখ্যান করি।

সাংবাদিক সম্মেলনে নিহত আসাদুলের পিতা মোঃ শাহজাহান মন্ডল বলেন আমার কলিজার টুকরা সন্তানকে যারা নির্মমভাবে হত্যা করেছে তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই, ফাঁসি চাই।

গত ১৪ জুন (রবিবার) বিকালে আসরের নামাজের পরে নিহত আসাদুলকে আসামি মিজানুর রহমান মোবাইলে কল করে ডেকে নেয়, এবং রাতের কোন একসময় তাকে নির্মম ভাবে হত্যা করে আলামত নষ্টের উদ্দেশ্যে লাশের শরীরে পেট্রোল ঢেলে ঝলসে দেওয়া হয়। মূল আসামি মিজানসহ তিনজনকে পুলিশ একটি মোটরসাইকেল এবং এস এস পাইপ সহ গ্রেফতার করে।