- ৫ আগস্ট-পরবর্তী মামলাগুলোর জেলাভিত্তিক তথ্য তলব
- দুর্নীতি প্রতিরোধে সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে
- ‘রূপান্তরিত গণমাধ্যম ইকোসিস্টেম’ গড়ে তুলবে সরকার
- দ্রুত অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও বাজেয়াপ্ত করতে হবে
চারদিনের সম্মেলন শেষে জেলা প্রশাসকরা (ডিসি) সরকারের একগুচ্ছ গুরুত্বপূর্ণ বার্তা নিয়ে মাঠে ফিরেছেন। তাদের আইন ও বিবেক খাটিয়ে প্রভাবমুক্ত থেকে দায়িত্ব পালনের তাগিদ দিয়েছেন সরকারের নীতিনির্ধারকরা। কারও রক্তচক্ষুর কাছে নতি স্বীকার না করে নিজের ওপর আস্থা রেখে সরকারি নির্দেশ পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়।
এছাড়া আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, কালবাজারি, মজুতদার ও বাজার সিন্ডিকেট খুঁজে বের করার ব্যাপারে তাগিদ দেওয়া হয়। এছাড়া মাঠ পর্যায়ে যেনো কোন ধরনের অশান্তি তৈরী না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে বলেছেন। ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে হওয়া মামলাগুলোর জেলাভিত্তিক তথ্য চেয়েছে সরকার। দুর্নীতি প্রতিরোধে সক্রিয় ভূমিকা পালন করার কঠোর নির্দেশনা দেয়া হয়।
গতকাল বুধবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে চার দিনব্যাপী জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনের শেষ দিনে মোট ৯টি অধিবেশনে ১২টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সঙ্গে ডিসিদের আলোচনা হয়েছে। এর মধ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, জনপ্রশাস মন্ত্রণালয়, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় ও দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)Ñসংক্রান্ত ইস্যুগুলো গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে আলোচনায় স্থান পেয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
এছাড়া পৃথক অধিবেশনে বিকালে মন্ত্রিপরিষদ সংক্রান্ত বিষয়াদি, ফিডব্যাক অধিবেশন ও সম্মেলনের মূল্যায়ন এবং সমাপনী অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। সবশেষ সন্ধায় বাংলাদেশ চীন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস এসোসিয়েশনের সভা অনুষ্ঠিত হয় এবং রাতে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ডিনারের মধ্যদিয়ে এবারের ডিসি সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে।
শেষ দিনে ডিসিদের কাছে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে হওয়া মামলাগুলোর জেলাভিত্তিক তথ্য চেয়েছে সরকার। এসব মামলা যাচাই-বাছাই করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এজন্য জেলা প্রশাসকদের কাছে জেলাওয়ারি মামলার তালিকা চাওয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসকদের সর্বোচ্চ এক মাসের মধ্যে তথ্য পাঠাতে মৌখিকভাবে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
অবৈধ অস্ত্র দ্রুত উদ্ধার করতে হবে : ডিসিদের সঙ্গে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, গত ৫ আগস্টের পর বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা, গণহত্যা এবং আওয়ামী সরকারের মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে প্রচুর মামলা হয়েছে। বিশেষ করে মহানগরগুলোতে এসব মামলার সংখ্যা অনেক বেশি এবং প্রতিটি মামলায় হাজার হাজার লোককে আসামি করা হয়েছে। তিনি বলেন, প্রকৃত অপরাধীদের শনাক্ত করতে এবং নিরপরাধ মানুষ যাতে হয়রানির শিকার না হয়, সে জন্যই এই যাচাই-বাছাইয়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে তদন্ত কর্মকর্তারা খতিয়ে দেখবেন প্রকৃত অর্থে কারা অপরাধী। যাদের উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মামলায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, তাদের নিষ্কৃতি দেওয়ার জন্য তিনি সুপারিশ করেছেন জানিয়ে বলেন, মৌখিকভাবে সর্বোচ্চ এক মাসের মধ্যে এই তথ্য পাঠাতে জেলা প্রশাসকদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তবে ন্যায়বিচারের স্বার্থে কেউ দেরি করলে, সেটিও বিবেচনা করা হবে। সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি আইনি কাঠামোর মধ্যে থেকেই নিষ্পত্তি করা হবে বলে আশ্বস্ত করেন তিনি।
এছাড়া ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে জমা দেওয়ার নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও প্রায় ১০ হাজার অস্ত্র এখনো জমা পড়েনি জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এসব অস্ত্র উদ্ধার ও বাজেয়াপ্ত করে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে মামলা করার জন্য জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, নির্বাচন উপলক্ষে জমা নেওয়া অনেক অস্ত্র এখনো ফেরত দেওয়া হয়নি। এসব অস্ত্র দ্রুত ফেরত দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তবে ২০০৯ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে রাজনৈতিক বিবেচনায় বা নীতিবহির্ভূতভাবে ইস্যু করা অস্ত্র ফেরত না দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে রাজনৈতিক বিবেচনায় অনেক হয়রানিমূলক মামলা করা হয়েছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে এর কিছু প্রত্যাহার করা হলেও সব ধরনের মামলা অন্তর্ভুক্ত হয়নি। এসব মামলা যাচাই-বাছাই করে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে প্রমাণিত হলে তা প্রত্যাহারের সুপারিশ করা হয়েছে। মামলাগুলো প্রথমে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আসবে, পরে আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। আইনমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন কমিটি যাচাই শেষে উপযুক্ত মনে করলে ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৪ ধারা অনুযায়ী মামলা প্রত্যাহার করা হবে।
এদিকে, আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলেও জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, মহাসড়কে কোনো পশুর হাট বসতে দেওয়া হবে না এবং রেললাইনের কাছাকাছি হাট বসানো যাবে না। বড় হাটগুলোতে জালিয়াতি ঠেকাতে পুলিশ বডি ক্যামেরা ব্যবহার করবে এবং জাল নোট শনাক্তে বিশেষ যন্ত্র সরবরাহ করা হবে। তিনি জানান, ঈদের সাত দিন আগে পুলিশ সদর দপ্তরে একটি কেন্দ্রীয় মনিটরিং সেল স্থাপন করা হবে। সারা দেশের মহাসড়ক সিসিটিভির মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ করা হবে এবং যেখানে ক্যামেরা নেই সেখানে বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ফেরিঘাটগুলোতে যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও নৌ পরিবহন কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি। ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনের আগে কিছু রাজনৈতিক বক্তব্যে মুসলিমদের বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছিল, এমন প্রেক্ষাপটে সীমান্তে পুশব্যাক বাড়তে পারে কি না, এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশকে (বিজিবি) সতর্ক থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে এমন পরিস্থিতির সম্ভাবনা কম বলেই তিনি মনে করেন। এ সময় স্বরাষ্ট্রসচিব, পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ও র্যাব মহাপরিচালক উপস্থিত ছিলেন।
দুর্নীতি প্রতিরোধে সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে : শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ মাঠ পর্যায়ে দুর্নীতি প্রতিরোধে প্রচারাভিযানের জন্য জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) সহযোগিতা চেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ডিসি সম্মেলনের শেষ দিনে জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে কার্য-অধিবেশন শেষে দুদক সচিব মোহাম্মদ খালেদ রহীম সাংবাদিকদের এ কথা জানান। তিনি বলেন, দুদকের বর্তমান কাঠামোতে আমরা যে কাজগুলো করছি সে সম্পর্কে জেলা প্রশাসকদের ধারণা দেওয়া হয়েছে। দুর্নীতি প্রতিরোধমূলক যে কাজগুলো আছে সেখানে জেলা প্রশাসকদের ভূমিকা আছে। বিশেষত দুর্নীতির বিরুদ্ধে জনসচেতনতা সৃষ্টির বিষয়ে। সেখানে তাদের সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে বলেছি। দুদক সচিব বলেন, শিক্ষার্থীদের মধ্যে দুর্নীতির বিরুদ্ধে সচেতনতা সৃষ্টিতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে সততা স্টোর আছে। এই স্টোরগুলো অনেক ক্ষেত্রেই খুব ভালোভাবে কাজ করছে না। ডিসিরা যখন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনে যান, সেখানে এগুলো ভালোভাবে চলছে কি না সে জিনিসগুলো দেখবেন, যদি কোথাও সহযোগিতার দরকার হয়, সেগুলো আমাদেরকে বললে আমরা সহযোগিতা করব। খালেদ রহীম জানান, মাঠ পর্যায়ে ইদানীং দুদক অথবা বিভিন্ন পর্যায়ে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নাম ব্যবহার করে কিছু প্রতারণার অভিযোগ আসছে। এ বিষয়গুলো নিয়ে আমরা তাদেরকে সতর্ক করেছি।
‘রূপান্তরিত গণমাধ্যম ইকোসিস্টেম’ গড়ে তুলবে সরকার : তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, দ্রুত পরিবর্তিত ডিজিটাল বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে একটি ‘রূপান্তরিত গণমাধ্যম ইকোসিস্টেম’ গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে ‘ভুল তথ্য’ ও ‘অপতথ্য’ মোকাবিলা, আধুনিক তথ্য ব্যবস্থাপনা এবং সাংবাদিকদের চাকরির নিরাপত্তা নিশ্চিতে সমন্বিত পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনে ডিসিদের সঙ্গে আলোচনা শেষে তথ্যমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, গণমাধ্যমের সমস্যাটা অনেক ব্যাপক। এটি একটি পুরোনো অ্যানালগ জায়গায় দাঁড়িয়ে আছে, যাকে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের উপযোগী করে গড়ে তুলতে হবে। তিনি বলেন, গণমাধ্যমের সঙ্গে সমন্বয় রেখে তথ্যপ্রবাহকে আরও দায়িত্বশীল ও শৃঙ্খলাপূর্ণ করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
মন্ত্রী জানান, তথ্য মন্ত্রণালয় যখন প্রয়োজনীয় সক্ষমতা ও নীতিগত কাঠামো নিয়ে কাজ শুরু করবে, তখন মাঠ প্রশাসনকে তা বাস্তবায়নে সক্রিয় সহযোগিতা করতে হবে। এ লক্ষ্যে জেলা প্রশাসকদেরও প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানান তিনি। এদিকে মাঠ প্রশাসনের সঙ্গে সাংবাদিকদের সমন্বয় বাড়াতে জেলা পর্যায়ে একজন করে ‘ফোকাল পারসন’ নিয়োগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবা ফারজানা।
তিনি বলেন, এই প্রতিনিধি সাংবাদিকদের সঙ্গে সমন্বয় করবেন এবং তথ্য সরবরাহে সহায়তা করবেন, যাতে গণমাধ্যম আরও স্বচ্ছভাবে সংবাদ প্রকাশ করতে পারে। তথ্য সচিব বলেন, জেলা কোঅর্ডিনেশন মিটিংগুলোতে সাংবাদিকদের অন্তর্ভুক্ত করতে বলা হয়েছে, যাতে সহযোগিতামূলক পরিবেশে কাজ করা যায়। তাহলে তথ্যগুলো সরাসরি সভা থেকেই পাওয়া যাবে।
পরিবেশ রক্ষায় ডিসিদের ওপরই মূল ভরসা রাখছে সরকার : দেশের বন ও পরিবেশ রক্ষায় সরকারের কার্যক্রমগুলো যথাযথভাবে বাস্তবায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করতে জেলা প্রশাসকদের নির্দেশনা দিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয় মন্ত্রী আবদুল আওয়াল মিন্টু। তিনি জানান, পরিবেশগত উদ্যোগগুলো সফল করতে ডিসিদের ওপরই মূল ভরসা রাখছে সরকার। ডিসিদের সঙ্গে আলোচনা শেষে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, আমরা সরকারের পক্ষ থেকে যে সব উদ্যোগ গ্রহণ করি, তা সক্রিয়ভাবে পরিচালনা করাসহ সবকিছুর সঙ্গে জড়িত জেলা প্রশাসকরা। গাছ লাগানো, পরিবেশ দূষণ রোধ করাসহ সব ধরনের কার্যক্রম জেলা প্রশাসকের সহযোগিতা ছাড়া বাস্তবায়ন করা সেভাবে সম্ভব নয়। তাই এসব কার্যক্রম পরিচালনার জন্য জেলা প্রশাসকদের সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে। তারা সহযোগিতা করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন
যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল ইসলাম সাফ জানিয়ে দিয়েছেন যে, দেশের জেলা স্টেডিয়ামের মাঠগুলো এখন থেকে আর মেলা বা অন্য কোনো বাণিজ্যিক কাজের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হবে না। তিনি জোর দিয়ে বলেন, স্টেডিয়াম হবে শুধুমাত্র খেলোয়াড়দের অনুশীলনের জায়গা। মাঠ পর্যায়ে প্রতিভাবান খেলোয়াড় তৈরি করতে দেশের জেলা স্টেডিয়াম ও সুইমিংপুলগুলো দ্রুত সংস্কার করা হবে। এছাড়া জেলা প্রশাসকদের মাধ্যমে যুবকদের কর্মসংস্থান তৈরির লক্ষ্যে একটি বিশেষ কানেক্টিভিটি নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার পরিকল্পনাও তুলে ধরেন তিনি।
অন্যদিকে, সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী নিয়ে বড় ঘোষণা দিয়েছেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল। তিনি স্বীকার করেন যে, অতীতে দুর্নীতির কারণে মাঠ পর্যায়ে অনেক প্রকৃত অভাবী মানুষ সরকারি ভাতার সুবিধা পাননি। এই অনিয়ম বন্ধে সরকার বর্তমানে ভাতাভোগীদের তালিকা পুরোপুরি হালনাগাদ করার কাজ শুরু করেছে। এজন্য একটি কমিটিও গঠন করা হয়েছে, যাতে প্রকৃত দুস্থ ব্যক্তিরাই সরকারি সহায়তার আওতায় আসেন।
সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল জানান, বিগত সময়ে সমাজিক নিরাপত্তার নানা কর্মসূচি দুর্নীতির কারণে মাঠ পর্যায়ে সঠিক মানুষের কাছে পৌঁছায়নি। তাই সরকারি ভাতাভোগীদের তালিকা হালনাগাদ করা হচ্ছে। এ লক্ষ্যে কমিটি গঠন করেছে সরকার।