কয়রার বাইক রাইডার রহিম সরদার তেল সংকটের কারণে গত কয়েকদিন গাড়ি চালাতে পারেনি। ঘরের উনুনও জ¦লেনি ঠিক মতো। গত শনিবার রাতে টিভিতে তেলের দাম বৃদ্ধির খবর দেখতে পেয়ে ভেবেছিলেন চাহিদা অনুযায়ী তেল পাবেন। কয়রা থেকে বেলা ১১টার দিকে যাত্রী নিয়ে খুলনায় আসেন। যাত্রীকে গল্লামারি নামিয়ে দিয়ে জয়বাংলা মোড়ে মেসার্স মারিয়া ফিলিং স্টেশনে গিয়ে লাইনে দাঁড়ান। দুপুর সাড়ে ৩টার দিকে ৫৫০ টাকার তেল পান। কিন্তু সেটি ছিল তার প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। যা দিয়ে তার দু’দিন চলবে বলে এ প্রতিবেদককে জানান। শুধু তিনি নন। তার মতো আরও অনেকেই তেলের দাম বৃদ্ধির সংবাদ জেনে পাম্পে আসেন। সেখান থেকে প্রয়োজনের তুলনায় কম পেয়ে নিরাশ হয়ে বাড়ি ফিরে যান।
শনিবার রাতে বিশ্ববাজারের সাথে সামঞ্জস্য রেখে দেশে ভোক্তা পর্যায়ে জ¦ালানি তেলের মূল্য পুনর্নির্ধারণ করে সরকার। রোববার সকাল থেকে কার্যকর করা হয় তা। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অকটেনের দাম ১৪০ টাকা, পেট্রোলের দাম ১৩৫ এবং ডিজেলের দাম ১১৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়। সকালে খুলনার প্রতিটি পেট্রোল পাম্প মালিক ডিপো থেকে তেল উত্তোলন করেন। ভেবেছিলেন মোটরসাইকেল চালকদের ভিড় আজ কম হবে। কিন্তু নগরীতে তার চিত্র ছিল অনেকটা পূর্বের মতো।