ফুলবাড়ী (কুড়ি গ্রাম) : নীলকমল নদীর ওপর (আজিজ জোল) রেলিং বিহীন সেতুটি এখন ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে দাড়িয়েছে। জীবন ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হচ্ছে শিক্ষার্থী ও সাধারন মানুষ। বিপাকে পড়েছে ব্যবসায়ীরা। ৬২ ফুট দৈর্ঘ্য ও ৮ ফুট প্রস্থের সেতুটি একমাত্র ভরসা দু’পারের মানুষের। দীর্ঘ দিন ধরে সেতু নির্মাণের দাবী জানিয়ে আসলে বাস্তবায়ন হয়নি এখনো। এটি কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীর উপজেলার দাসিয়াছড়া কামালপুর -ফুলসাগর সড়কে সংযোগ সেতু।

ওই এলাকার জালাল উদ্দিন ও আমজাদ আলী জানান ফুলবাড়ী সদর ইউনিয়নের ফুলসাগরে সংলগ্ন আজিজ জোল সড়কে নীলকমল নদীর অপর ১৯লাখ টাকা ব্যয়ে ১৯৯৮ সালে একটি সেতুটি নিমার্ণ করা হয়। সেতুটি নিমার্ণ করার পর দু’পারের মানুষ সেতু বন্ধন তৈরি হয়ে। পাল্টে যায় অবহেলিত দাসিয়ারছড়ার মানুষের জীবন যাত্রামান। চলাচল করেন ভারী জানবাহনসহ সাধারন মানুষ। অতিসহজে যোগাযোগ হয় উপজেলা ও জেলার শহরে। কিš‘ এখন ওই সেতুটির অবস্থা বেহাল। সেতুর রেলিং নেই দুই পাশে। মাঝে পাঠাতন নেই সেতুর। কষ্ট করে চলাচল করছেন সাধারণ মানুষসহ শিক্ষার্থীরা। চলে না কোন ভারী যানবাহন। তিন কিলোমিটার ঘুড়ে মালামাল নিয়ে আসতে হচ্ছে ব্যবসায়ীদের। তার পরে সংস্কার কিংবা নতুন সেতু তৈরির উদ্যোগ নেই সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ।স্থানীয়দের অভিযোগ সংস্কারের একাধিকবার ইউনিয়ন পরিষদে আবেদন করার পরে ব্যবস্থা নেয়নি। ফুলবাড়ী জসিমিয়া মডেল সরকারী উ”চ বিদ্যালয়ের অস্টম শ্রেনীর শিক্ষার্থী ফাতেমা খাতুন জানান বাইসাইকেল করে আগে স্কুলে যাওয়া আসা হতো । এখন সেতুর মাঝে ভেঙ্গে পড়া আর রেলিং না থাকায় ভয়ে পারাপার হচ্ছে না। অনেক দুর ঘুরে স্কুলে যাচ্ছে।

ওই এলাকার হয়রত আলী ও মন্টু মিয়া জানান নদীটি ছোট আকারের হলেও বর্ষার সময় পানিতে ভরে থাকে। প্রচুর স্রোত হয় বর্ষা মৌসমে। তখন শিশুদের হাত ধরে পারাপার করতে হয়। এতে দুর্ঘটনাও ঘটেছে অনেকবার সেতুটি সংস্কার করার জন্য ইউনিয়ন পরিষদে যোগাযোগ করছি।

ফুলবাড়ী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হারুন-অর-রশিদ-হারুন জানান, ফুলসাগর সংলগ্ন নীলকমল নদীর উপর আজিজ জোল সেতুটি অনেক আগে নির্মাণ করা হয়েছে ।

এ প্রসঙ্গে উপজেলা প্রকৌমলী মামুনুর রশীদ জানান নীলকমল নদীর ওপর (আজিজ জোল ) ঝুঁকিপূর্ণ রেলিং বিহীন সেতুটি। এটি স্ংস্কার করা প্রয়োজন। সেতুটি অনেক আগে নির্মাণ করায় এ অবস্থা সুষ্টি হয়েছে। তবে এ নদীর ওপর নতুন করে সেতু বাস্তবায়ন করা হবে।