কসবা (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) সংবাদদাতা: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় আলোচিত ১৯ মামলার আসামি কসবা উপজেলা কায়েমপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি বাদশা জুয়েলকে গ্রেফতার করেছে কসবা থানা পুলিশ।

গত ১১ মার্চ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসনের কার্যালয় এলাকা থেকে ডিবি পুলিশের সহায়তায় তাকে গ্রেফতার করা হয়। পরে ওই দিনই তাকে আদালতের মাধ্যমে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, কসবা উপজেলার কায়েমপুর ইউনিয়নের উত্তর চকবস্তা গ্রামের আবুল বাশার মিয়ার ছেলে জুয়েল উরফে বাদশা জুয়েলের বিরুদ্ধে গাজীপুর, বরিশাল, নারায়ণগঞ্জ ও কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন থানায় মাদকসহ নানা অপরাধে প্রায় ১৯টি মামলা রয়েছে।

গত ২৩ জানুয়ারি অবসরপ্রাপ্ত এক সেনা সদস্যের ওপর হামলার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে কসবা থানায় একটি মামলা রয়েছে। (এফআইআর নং- ২১) ওই মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।

এছাড়াও তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় একাধিক গ্রেফতারি পরোয়ানা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এদিকে গত ৫ মার্চ ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা-আখাউড়া) এলাকার নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মুশফিকুর রহমান স্থানীয় প্রশাসনকে মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ প্রদান করে বলেন মাদকের বিষয়ে তাঁর দলীয় নেতা-কর্মীদেরকেও যেন কোনো প্রকার ছাড় দেয়া না হয়। তিনি কসবা-আখাউড়ায় মাদক ও চোরাচালান নির্মূলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বরাবর লিখিত আবেদন জানিয়েছেন।

কসবা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নাজনীন সুলতানা জানান, আলোচিত আসামি বাদশা জুয়েলের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন স্থানে একাধিক মামলা রয়েছে।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসন কার্যালয় এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তার বিরুদ্ধে থাকা অন্যান্য মামলার বিষয়েও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।