দাউদকান্দি (কুমিল্লা) সংবাদদাতা : দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর অবশেষে খ-কালীন সময়ের জন্য চালু হলো কুমিল্লার দাউদকান্দির বহুল প্রত্যাশিত শহীদনগর ২০ শয্যা ট্রমা সেন্টার। পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে ঈদের আগে ও পরে মোট ১৫ দিন সেন্টারটিতে প্রতিদিন ২৪ ঘণ্টা জরুরি চিকিৎসাসেবা চালু রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।বৃহস্পতিবার (২১ মে) ট্রমা সেন্টারটি পরিদর্শনে আসেন সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা।সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ঈদের সময় মহাসড়কে দুর্ঘটনা ও বিভিন্ন জরুরি স্বাস্থ্যঝুঁকির বিষয়টি বিবেচনায় রেখে জনগণের সেবার কথা মাথায় রেখেই ট্রমা সেন্টারটি চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর ফলে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক ব্যবহারকারী যাত্রীসহ স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে।স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, ঈদকে কেন্দ্র করে টানা ১৫ দিন নিরবচ্ছিন্নভাবে এখানে জরুরি চিকিৎসাসেবা প্রদান করা হবে। স্থানীয় সচেতন মহল এ উদ্যোগকে সময়োপযোগী ও মানবিক সিদ্ধান্ত হিসেবে উল্লেখ করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।স্থানীয় নেতৃবৃন্দ স্মরণ করেন, ২০০৬ সালে কুমিল্লা-১ আসনের তৎকালীন সংসদ সদস্য ও দাউদকান্দি-মেঘনার গণমানুষের নেতা ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন-এর হাত ধরেই শহীদনগর ট্রমা সেন্টারের যাত্রা শুরু হয়েছিল। এদিকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে একসময় ভেঙে ফেলা হয়েছিল ট্রমা সেন্টারের উদ্বোধনী নামফলক। ট্রমা সেন্টারটি খ-কালীনভাবে চালুর পাশাপাশি বৃহস্পতিবার সেই ঐতিহাসিক নামফলকও পুনঃস্থাপন করা হয়েছে।নামফলকটি যথাযথ মর্যাদায় পুনঃস্থাপন এবং ট্রমা সেন্টারটি সচল করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখায় দাউদকান্দি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাছরীন আক্তার এবং দাউদকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. হাবিবুর রহমান-কে স্থানীয় জনগণ ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ বিশেষ ধন্যবাদ জানান।পরিদর্শনকালে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
গ্রাম-গঞ্জ-শহর
অবশেষে চালু হলো শহীদনগর ২০ শয্যা ট্রমা সেন্টার
দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর অবশেষে খ-কালীন সময়ের জন্য চালু হলো কুমিল্লার দাউদকান্দির বহুল প্রত্যাশিত শহীদনগর ২০ শয্যা ট্রমা সেন্টার।