কোটচাঁদপুর সংবাদদাতা: ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলার বলুহর ইউনিয়নে সরকারি কৃষি প্রণোদনার সার ও বীজ বিতরণে এক চাঞ্চল্যকর জালিয়াতির ঘটনা ফাঁস হয়েছে। ভোটার আইডি কার্ডের (ঘওউ) তথ্যের সাথে ছবির মিল না থাকায় এই অনিয়মটি হাতেনাতে ধরে ফেলেছেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোছাঃ মুশফিখা সোহেলী (মৌ)। এই জালিয়াতি চক্রের মূল হোতা হিসেবে নাম সাবেক ছাত্র নেতা মোঃ ফারুক হোসেন পিয়াসের।
ঘটনার বিবরণ গত সোমবার (৩০ মার্চ) দুপুরে বলুহর ইউনিয়নে তালিকাভুক্ত প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে আউশ ধানের বীজ ও সার বিতরণের কর্মসূচি ছিল। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী নথিপত্র যাচাইয়ের সময় কৃষি কর্মকর্তা লক্ষ্য করেন, বেশ কিছু এনআইডি কার্ডের তথ্যের সাথে সংযুক্ত ছবির কোনো সামঞ্জস্য নেই। নিবিড় পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, প্রকৃত কার্ডধারীর তথ্যের ওপর অন্য ব্যক্তির ছবি বসিয়ে জালিয়াতির মাধ্যমে সরকারি সুবিধা হাতিয়ে নেওয়ার অপচেষ্টা করা হচ্ছিল।
কৃষি কর্মকর্তার বক্তব্য বিষয়টি নিয়ে অত্যন্ত কঠোর অবস্থান ব্যক্ত করেছেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোছাঃ মুশফেখা সোহেলী (মৌ)। তিনি সাংবাদিকদের বলেন সরকারের এই বিশেষ প্রণোদনা প্রকৃত প্রান্তিক কৃষকদের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে আমরা বদ্ধপরিকর। যাচাই-বাছাইয়ের সময় আমি দেখি, কার্ড একজনের হলেও ছবি দেওয়া হয়েছে অন্যজনের। এটি স্পষ্টত একটি অপরাধমূলক জালিয়াতি। এই কার্ডগুলো আমাকে সরবরাহ করেছিলেন জিসাস নেতা মোঃ ফারুক হোসেন পিয়াস। বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে আমি তাকে বারবার ফোন দিলেও তিনি রিসিভ করেননি।