চুয়াডাঙ্গায় জন্মসনদ ও মূল্যবান ডকুমেন্ট জালিয়াতি মামলায় চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার বেগমপুর ইউনিয়ন পরিষদের সচিব রায়হান মাহমুদ ও উদ্যোক্তা আরিফুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করেছে দর্শনা থানা পুলিশ। শনিবার (৯ মে) রাত ২টার দিকে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তিথি মিত্র ওই দু’জনের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের প্রমান পাওয়ায় দর্শনা থানা পুলিশের কাছে তাদের হস্তান্তর করে। তাদের বিরুদ্ধে ফৌজদারী আইনে মামলা রুজুর পর এদিন দুপুরে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়।

চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা তিথি মিত্র জানান, কিছুদিন আগে লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায় যে, বেগমপুর ইউনিয়ন পরিষদের সচিব রায়হান মাহমুদ ও উদ্যোক্তা আরিফুল ইসলাম দুজন মিলে যোগসাজশে কুমিল্লা ও মৌলভীবাজার জেলার মানুষের নামে চুয়াডাঙ্গা জেলার স্থায়ী বাসিন্দা হিসাবে জাল জন্মসনদ প্রদান করছে মোটা অংকের উৎকোচের বিনিময়ে। এ বিষয়টি নিয়ে সদর উপজেলা প্রসাশনের পক্ষ থেকে তদন্ত করে দেখা যায় লিখিত অভিযোগকারীর অভিযোগ সত্য। বিষয়টি যাচাই বাছাই ও আরো তথ্য প্রমান নথিভুক্ত করা হয়। এরপর সচিব রায়হান মাহমুদ ও উদ্যোক্তা আরিফুল ইসলামকে শুক্রবার (৮ মে) উপজেলা কার্যালয়ে তলব করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের পক্ষে উক্ত অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তারা তাদের অপরাধ স্বীকার করেন। এ ঘটনায় সরকারী প্রতিষ্ঠানে চাকরিরত অবস্থায় অনিয়ম দূর্নীতি জালজালিয়াতির অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে ফৌজদারী আইনে মামলা রজু করা হয়। পরে তাদেরকে দর্শনা থানার অফিসার ইনচার্জ হিমেল রানার কাছে সোপর্দ করা হয়। থানায় আইনী প্রক্রিয়া শেষে তাদেরকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।