বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি প্রবীণ সদস্য (রুকন) মো. আসমত খান, রাজশাহী জেলার বাঘা উপজেলার মনিগ্রাম ইউনিয়নের প্রবীণ সদস্য (রুকন) বীর মুক্তিযোদ্ধা মজির উদ্দিন এবং খুলনা মহানগরীর লবনচরা থানার সদস্য (রুকন) মাওলানা এ টি এম এমদাদুল হকের ইন্তিকালে গভীর শোক প্রকাশ করে জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান গতকাল মঙ্গলবার এক শোকবাণী প্রদান করেছেন।

গণমাধ্যমে পাঠানো পৃথক শোকবাণীতে তিনি বলেন, মো. আসমত খান ও মজির উদ্দিন এবং এ টি এম এমদাদুল হকের ইন্তিকালে আমরা ইসলামী আন্দোলনের তিনজন নিবেদিতপ্রাণ দাঈকে হারালাম। তাঁরা ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করে গিয়েছেন এবং ইসলামী আন্দোলনের প্রচার ও প্রসারে তাঁদের অনেক অবদান রয়েছে। আমি তাঁদের ইন্তিকালে গভীর শোক প্রকাশ করছি।

শোকবাণীতে তিনি আরো বলেন, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা তাঁদেরকে ক্ষমা ও রহম করুন এবং তাঁদের কবরকে প্রশস্ত করুন। তাঁদের গুনাহখাতাগুলোকে ক্ষমা করে দিয়ে নেকিতে পরিণত করুন। কবর থেকে শুরু করে পরবর্তী প্রত্যেকটি মঞ্জিলকে তাঁদের জন্য সহজ, আরামদায়ক ও কল্যাণময় করে দিন। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন তাঁদেরকে জান্নাতে উচ্চ মাকাম দান করুন এবং তাঁদের শোকাহত পরিবার-পরিজনদেরকে এ শোক সহ্য করার তাওফিক দান করুন।

উল্লেখ্য, মো. আসমত খান বার্ধক্যজনিত কারণে গতকাল মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টায় ৮২ বছর বয়সে ইন্তিকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিঊন)। তাঁর স্ত্রী, ২ পুত্র ও ১ কন্যাসহ বহু আত্মীয়-স্বজন রয়েছে। মঙ্গলবার বাদ আছর কালিকা পাড়া জানাযা শেষে তাঁকে কালিকা পাড়া মসজিদের পাশে দাফন করা হয়েছে।

বীর মুক্তিযোদ্ধা মজির উদ্দিন অসুস্থতাজনিত কারণে গত সোমবার দিবাগত রাত ১:৩০ টায় ৭২ বছর বয়সে ইন্তিকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিঊন)। তাঁর স্ত্রী, সন্তানসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন রয়েছে। মঙ্গলবার জানাযা শেষে তাঁকে দাফন করা হয়েছে। এবং মাওলানা এ টি এম এমদাদুল হক কিডনি রোগে আক্রান্ত হয়ে মঙ্গলবার ভোর ৪টায় ৪৬ বছর বয়সে ইন্তিকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিঊন)। তাঁর স্ত্রী, ১ পুত্র ও ১ কন্যাসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন রয়েছে। ৫ মে খুলনার লবনচরা থানার ইউসুফিয়া আলিম মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে জানাযা শেষে তাঁকে খুলনার নিরালা কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।