সংযুক্ত আরব আমিরাতে ইসরাইল-আমেরিকা-ইরানের মধ্যে যুদ্ধ চলাকালে ইরানের ড্রোন হামলায় নিহত সালেহ উদ্দিন ওরফে আহমেদ আলীর লাশ গতকাল তার গ্রামের বাড়ি মৌলভীবাজারে পৌঁছে দিয়েছেন প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী।

গতকাল সোমবার সকাল ৮টা ২০ মিনিটে এমিরেটস এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটে ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায় আহমেদ আলীর লাশ। পরে তার লাশ বিমানের আরেকটি ফ্লাইটে করে নিয়ে আসা হয় সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে।

সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সকাল ১১টার দিকে আহমেদ আলীর লাশ গ্রহণ করেন বাংলাদেশ সরকারের শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী ও আলীর নিকটআত্মীয়রা। বিমানবন্দরে আলীর লাশ সকল আনুষ্ঠানিকতা শেষে মন্ত্রী নিজেই মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখাস্থ বাড়িতে নিয়ে যান। সেখানে জানাযা শেষে পারিবারিত গোরস্থানে তার লাশ দাফন করা হয়।

জানা যায়, আহমেদ আলী গ্রামের বাড়ি মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার গাজিটেকায়। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি আরব আমিরাতের আজমান শহরে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত হন তিনি। সেখানে তিনি পানি সরবরাহের গাড়ি চালাতেন। তার ছোট দুই ভাই জাকির হোসেন ও বোরহান আহমদও একই শহরে থাকেন এবং তারাই পরিবারের কাছে মৃত্যুর খবর জানান।

ঢাকায় লাশ গ্রহণ ও ঢাকা থেকে সিলেটের মৌলভীবাজারে মরদেহের নিজ বাসভবনে পৌঁছানো পর্যন্ত সার্বিক সহযোগিতা করবে বলে জানিয়েছে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।

সিলেট সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নিহত আলীর লাশ গ্রহণ করার সময় বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন সিলেট বিভাগীয় কমিশনার মো. রেজা-উন-নবী, সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি মোঃ মুশফেকুর রহমান, সিলেটের জেলা প্রশাসক সারোয়ার আলমসহ প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।