বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন (বা.জা.ফে.-৮) এর উদ্যোগে শ্রমিকবান্ধব বাজেটের রূপরেখা উপস্থাপনা করা হয়েছে। গতকাল রোববার জাতীয় প্রেস ক্লাবে সংগঠনটির সভাপতি এডভোকেট অতিকুর রহমান শ্রমিকবান্ধব বাজেটের রূপরেখা উপস্থাপনা করেন। সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক লস্কর মো. তছলিমের সঞ্চলনায় এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন সংগঠনটির সহ-সভাপতি কবির আহাম্মেদ, গোলাম রাব্বানী, মুজিবুর রহমান ভূইয়া, সহ-সাধারণ সম্পাদক মুহিবুল্লাহ, আক্তারুজ্জামান, দপ্তর সম্পাদক নুরুল আমিন, কোষাধ্যাক্ষ আজহারুল ইসলাম, ট্রেড ইউনিয়ন সম্পাদক সোহেল রানা মিঠু, সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক জামিল মাহমুদ, প্রচার সম্পাদক হাফিজুর রহমান, বিটিসিএল আদর্শ ট্রেড ইউনিয়ন সভাপতি নজরুল ইসলাম, ওয়াসা, ডিপিডিসি, বিআরইএলসহ বিভিন্ন জাতীয় ট্রেড ইউনিয়ন নেতৃবৃন্দ।

বাজেট উপস্থাপন শেষে এডভোকেট অতিকুর রহমান বলেন, আমরা সরকারকে একটি প্রাথমিক ধারণা ও রূপরেখা প্রদান করে সহযোগিতা করলাম, আশা করি সরকার আগামী বাজেট প্রণয়নে এই রূপরেখা অনুসরণ করবেন।

প্রস্তাবনায় বলা হয়, বাংলাদেশের ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটকে সত্যিকার অর্থে শ্রমিকবান্ধব, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও ইনসাফভিত্তিক করতে হলে বাজেটের দর্শন পরিবর্তন করতে হবে। কেবল অবকাঠামোগত উন্নয়ন বা জিডিপি প্রবৃদ্ধি নয়, বরং মানুষের জীবনমান উন্নয়ন, সামাজিক নিরাপত্তা, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ও কর্মসংস্থানকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মূল চালিকাশক্তি শ্রমজীবী মানুষের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত না হলে টেকসই উন্নয়ন অর্জন সম্ভব নয়।

অতএব, ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের বাজেটে মোট বরাদ্দের অন্তত ১০ শতাংশ শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়ন, সামাজিক সুরক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, আবাসন ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধির জন্য বরাদ্দ রাখা প্রয়োজন। আয় বৃদ্ধির পাশাপাশি ব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, সামাজিক বৈষম্য হ্রাস এবং শ্রমিকের মর্যাদা প্রতিষ্ঠাই হোক আগামী বাজেটের মূল দর্শন।