প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘোষণার পর এবার আনুষ্ঠানিকভাবে বগুড়া পৌরসভাকে সিটি কর্পোরেশন হিসেবে স্বীকৃতি দিলো সরকার। এ সংক্রান্ত সরকারি গেজেট বৃহস্পতিবার প্রকাশ করেছে স্থানীয় সরকার বিভাগ। গেজেটে জানানো হয়েছে, স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) আইন, ২০০৯ এর ধারা ৩(৩) অনুযায়ী বর্তমান বগুড়া পৌরসভা এবং আশপাশের সম্প্রসারিত এলাকা যুক্ত করে নতুন এই সিটি কর্পোরেশন গঠন করা হয়েছে। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসান স্বাক্ষরিত গেজেটে নতুন সিটি কর্পোরেশনের সীমানা ও ওয়ার্ড বিন্যাসও নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন সিটি কর্পোরেশনে মোট ২১টি ওয়ার্ড রাখা হয়েছে। এতে বগুড়া পৌর এলাকার পাশাপাশি সদর উপজেলা ও শাজাহানপুর উপজেলার কয়েকটি মৌজা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। অন্তর্ভুক্ত এলাকার মধ্যে রয়েছে ফুলবাড়ী, নিশিন্দারা, কাটনারপাড়া, সুত্রাপুর, চকবৃন্দাবন, মালগ্রাম, ঠনঠনিয়া, গাড়ামাড়া, মালতীনগর, লতিফপুর, ফুলদিঘী ও বেতগাড়ীসহ আরও কয়েকটি অঞ্চল। এর আগে সম্প্রসারিত এলাকা নিয়ে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করে স্থানীয় বাসিন্দাদের মতামত গ্রহণ করা হয়। পরে সেই মতামত ও প্রশাসনিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে বগুড়াকে সিটি কর্পোরেশন ঘোষণার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

উত্তরাঞ্চলের প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত বগুড়া দীর্ঘদিন ধরেই সিটি কর্পোরেশন ঘোষণার দাবিতে আলোচনায় ছিল। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পূর্বে প্রতিটি রাজনৈতিক দল সিটি কর্পোরেশন করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। গত ২০ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বগুড়া সফরকালে বগুড়া সিটি কর্পোরেশনের ভিত্তিফলক স্থাপন করেন। সরকার শিঘ্রই নতুন প্রশাসক নিয়োগ করবে বলে শোনা যাচ্ছে। এরই মধ্যে প্রশাসক হতে বিএনপির একাধিক সিনিয়র-জুনিয়র নেতা উপর মহলে তদবির করছেন বলে জানাগেছে। তবে, প্রশাসক নিয়ে নাগরিক কোন ভাবনা নেই। তারা চায় নতুন এ প্রশাসনিক কাঠামোর মাধ্যমে নগর ব্যবস্থাপনা ও নাগরিক সেবার মান আরও উন্নত হোক।