ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলায় এক স্কুলছাত্রীকে বাড়ি ফেরার পথে তুলে নিয়ে গিয়ে গণধর্ষণ ও নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে এবং তা প্রদর্শন করে তারা এলাকায় ‘উল্লাস’ করেছে বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এঘটনায় মঙ্গলবার ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর ফুফু ফাতেমা খাতুন বাদী হয়ে মহেশপুর থানায় চারজনের নাম উল্লেখ করে একটি মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশ অভিযান চালিয়ে রাতে হযরত আলী নামে এক ধর্ষককে গ্রেফতার করেছে।

এতথ্য নিশ্চিত করে মহেশপুর থানার ওসি মেহেদী হাসান জানান, হযরত আলী নামে এক ধর্ষককে গ্রেফতার করে বুধবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। বাকী আসামীদের গ্রেফতারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আশা করছি খুব দ্রুতই তাদের গ্রেফতার করতে পারবো।

গৃহবধূর লাশ মিললো মাঠে

শ্রীপুর (মাগুরা) সংবাদদাতা : মাগুরা শ্রীপুরের গয়েশপুর ইউনিয়নের বড় উদাস গ্রামে বাবার বাড়িতে এসে সকাল আনুমানিক ৭টা থেকে নিখোঁজ হওয়া ২৩ বছর বয়সী লিমা খাতুন নামের এক গৃহবধূর লাশ তার বাবার বাড়ির পাশের ফাঁকা মাঠ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।

সে বড় উদাস গ্রামের আব্দুল হাই এর মেয়ে। লাশ নিয়ে এলাকা বাসীর ধারণা তাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হতে পারে।

নিহত লিমা খাতুন ঝিনাইদহ সদর উপজেলার হাট গোপালপুর গ্রামের মৃত মরজেল এর ছেলে সুজন মিয়ার স্ত্রী।