বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমীর মরহুম মকবুল আহমাদের ৫ম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া ও কবর জিয়ারত করেছেন দলীয় নেতৃবৃন্দ।

শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) বাদ জুমা ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলার পূর্বচন্দ্রপুর মডেল ইউনিয়নের ওমরাবাদ আমিন বাড়ির পারিবারিক কবরস্থানে শায়িত বর্ষিয়ান এ রাজনীতিবিদের কবর জিয়ারতে অংশ নেন কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরা সদস্য এবং ঢাকা মহানগরী উত্তরের সহকারী সেক্রেটারি ডাঃ মোঃ ফখরুদ্দিন মানিক এবং কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও সাবেক জেলা আমীর অধ্যাপক লিয়াকত আলী ভূঁইয়া।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা নায়েবে আমীর অধ্যাপক আবু ইউসুফ, সোনাগাজী উপজেলা আমীর মাও মোস্তফা সহ নেতৃবৃন্দ।

প্রসঙ্গত,২০২১ সালের ১৩ এপ্রিল দুপুরে রাজধানীর ইবনেসিনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন মকবুল আহমাদ।

এর আগে ১৯৭০ সালে প্রাদেশিক পরিষদ, ১৯৮৬ ও ১৯৯১ সালে ফেনী-২ আসনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্ধীতা করেন তিনি।

এছাড়াও মকবুল আহমাদ জামায়াতের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল, নায়েবে আমির হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ব্যক্তিগত জীবনে ফেনী সেন্ট্রাল হাই স্কুল ও শরিষাদী হাই স্কুলে শিক্ষকতা করেছেন। পারিবারিক জীবনে তিনি ৩ ছেলে ও ২ মেয়ের জনক।

মকবুল আহমাদ জামায়াতের তৃতীয় নির্বাচিত আমির। তৃতীয় ভারপ্রাপ্ত আমির হিসেবেও মকবুল আহমাদ দীর্ঘসময় দায়িত্ব পালন করেছেন। জামায়াতের শীর্ষ নেতাদের অনুপস্থিতিতে মকবুল আহমাদ ২০১০ সালের ২৯ জুন থেকে ২০১৬ সালের অক্টোবর পর্যন্ত ভারপ্রাপ্ত আমির ছিলেন। ২০১৭ সাল থেকে নির্বাচিত আমিরের দায়িত্বে ছিলেন। পরে ২০১৯ সালে তাঁর স্থলে নতুন আমির নির্বাচিত হন বর্তমান বিরোধীদলীয় নেতা ডা: শফিকুর রহমান।

মকবুল আহমেদ ১৯৬২ সালে ছাত্রজীবন শেষ করে জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেন। ১৯৬৭ সাল থেকে ১৯৬৮ সাল পর্যন্ত তিনি ফেনী শহর আমিরের দায়িত্ব পালন করেন এবং ১৯৬৮ সাল থেকে ১৯৭০ সাল পর্যন্ত ফেনী মহকুমা আমিরের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭০ সালের শেষ দিকে তিনি বৃহত্তর নোয়াখালী জেলা আমিরের দায়িত্ব পালন করেন।