বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম বলেছেন- বাংলাদেশ সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম অধ্যুষিত দেশ। এদেশের মানুষ ঈমানের ব্যাপারে ও দীনের ব্যাপারে আপোসহীন। কুরআন ও সুন্নাহর কথা বললে তারা দ্বিধাহীনভাবেই তা গ্রহণ করেন। তাই সাধারণ মানুষদের ঐক্যবদ্ধ করার জন্যে মুফাসসিরদের অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। এ কাজ করত গিয়ে বাধা বিপত্তি আসবে, আসাটা স্বাভাবিক। অত্যাচার নির্যাতন সহ্য করেই এ কাজ চালিয়ে যেতে হবে।

তিনি তার বক্তব্যে ভারতে মুসলিমদের উপরে অত্যাচার নির্যাতন বন্ধেরও আহবান জানান। কার্যকরী পরিষদের সকল সদস্যদেরকে মাজলিসুল মুফাসসিরীনের কাজ বেগবান করার আহবান করেন।

গতকাল রোববার বিকেল ৫টায় বাংলাদেশ মাজলিসুল মুফাসসিরীনের কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদের বিশেষ অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, সাধারণ মানুষদের অন্তরে আল্লাহর ভয় তৈরী করার চেষ্টা করতে হবে। কারণ কারো অন্তরে আল্লাহর ভয় থাকলে সে যেমন ইবাদত-বন্দেগীতে ত্রুটি করতে পারে না; পাশাপাশি কোনো ধরনের অপরাধেও জড়ানোর আশঙ্কা থাকে না। ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রসহ মানব জীবনের সকল ক্ষেত্রে তাকওয়ার যথাযথ চর্চার মাধ্যমে সমাজ থেকে অপরাধ, অন্যায় ও জুলুম দূর করা সম্ভব।

বাংলাদেশ মাজলিসুল মুফাসসিরীন কেন্দ্রীয় সভাপতি অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল হামিদ এর সভাপতিত্বে ও জেনারেল সেক্রেটারী অধ্যাপক মাও. নুরুল আমীন (এমপি) এর সঞ্চালনায় অধিবেশনে বিশেষ অতিথি ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় ওলামা বিভাগের সেক্রেটারী ড. মুফতি মাও খলিলুর রহমান মাদানী। ওলামা বিভাগের কেন্দ্রীয় দায়িত্বশীলবৃন্দ ও মাজলিসের কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদের সদস্যগণের অংশগ্রহণে অধিবেশনে বক্তব্য রাখেন দেশবরেণ্য উলামায়ে কেরামগণ।

ড. মাও. খলিলুর রহমান মাদানী তার বক্তব্যে সুন্দর সমাজ বিনির্মাণে মুফাসসিরদের অসামান্য অবদানের কথা তুলে ধরেন এবং যে কোনো সামাজিক সংকট দূরীকরণে মুফাসসিরদের অগ্রণী ভূমিকা পালন করার জন্য আহবান জানান।

অতিথি হিসেবে আরো উপস্থিত ছিলেন শেরপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য হাফেজ রাশেদুল ইসলাম, ড. সামিউল হক ফারুকী, ড.আব্দুস সামাদ, ড. আবুল কালাম আজাদ বাশার, অধ্যক্ষ মাওলানা মোশাররফ হোসেন, ড. আ ন ম রশিদ মাদানী, অধ্যক্ষ মাও ড. মহিউদ্দিন প্রমূখ।

বাংলাদেশ মাজলিসুল মুফাসসিরীনের কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদের সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মাও আব্দুস সালাম আল মাদানী, হাফেজ মাওলানা কামরুল ইসলাম খান, মাওলানা শাহ আব্দুল মোমেন নাসেরী পীর সাহেব, মাওলানা ফখরুদ্দিন আহমাদ, ড. মুহাদ্দিস মাহমুদুল হাসান, মুহাদ্দিস আবু নসর আশরাফী, মাওলানা মাহমুদুর রহমান দিলাওয়ার, মাওলানা রুহুল আমীন (রাজশাহী), হাফেজ মাওলানা জাহিদুল ইসলাম, মাওলানা সাদিকুর রহমান আল আজহারী, অধ্যাপক মাওলানা মুজিবুর রহমান, মাওলানা আব্দুল মান্নান আনসারী, ড. মুফতি হাফেজ জাকারিয়া নুর, মুফতি এ এইচ এম আবুল কালাম আযাদ প্রমুখ।