দেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট, গণতান্ত্রিক অধিকার এবং সংগঠনের ভূমিকা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনায় বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও যশোর-কুষ্টিয়া অঞ্চল পরিচালক মোঃ মোবারক হোসেন বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে মানুষের দ্বারে দ্বারে গিয়ে কাজ করেছি। বিশেষ করে শহীদ পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়িয়ে তাদের চিকিৎসা সহায়তা প্রদান করেছি এবং জুলাই বিপ্লবের শহীদদের স্মরণে স্মরণিকা প্রকাশ করেছি। যাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আজ আমরা কথা বলার, চলাফেরার এবং রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার সুযোগ পাচ্ছি তাদের ঋণ কখনো শোধ হওয়ার নয়।
দেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট, গণতান্ত্রিক অধিকার এবং সংগঠনের ভূমিকা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনায় বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও যশোর-কুষ্টিয়া অঞ্চল পরিচালক মোঃ মোবারক হোসেন বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে মানুষের দ্বারে দ্বারে গিয়ে কাজ করেছি। বিশেষ করে শহীদ পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়িয়ে তাদের চিকিৎসা সহায়তা প্রদান করেছি এবং জুলাই বিপ্লবের শহীদদের স্মরণে স্মরণিকা প্রকাশ করেছি। যাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আজ আমরা কথা বলার, চলাফেরার এবং রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার সুযোগ পাচ্ছি তাদের ঋণ কখনো শোধ হওয়ার নয়।
দেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট, গণতান্ত্রিক অধিকার এবং সংগঠনের ভূমিকা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনায় বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও যশোর-কুষ্টিয়া অঞ্চল পরিচালক মোঃ মোবারক হোসেন বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে মানুষের দ্বারে দ্বারে গিয়ে কাজ করেছি। বিশেষ করে শহীদ পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়িয়ে তাদের চিকিৎসা সহায়তা প্রদান করেছি এবং জুলাই বিপ্লবের শহীদদের স্মরণে স্মরণিকা প্রকাশ করেছি। যাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আজ আমরা কথা বলার, চলাফেরার এবং রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার সুযোগ পাচ্ছি তাদের ঋণ কখনো শোধ হওয়ার নয়।
দেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট, গণতান্ত্রিক অধিকার এবং সংগঠনের ভূমিকা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনায় বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও যশোর-কুষ্টিয়া অঞ্চল পরিচালক মোঃ মোবারক হোসেন বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে মানুষের দ্বারে দ্বারে গিয়ে কাজ করেছি। বিশেষ করে শহীদ পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়িয়ে তাদের চিকিৎসা সহায়তা প্রদান করেছি এবং জুলাই বিপ্লবের শহীদদের স্মরণে স্মরণিকা প্রকাশ করেছি। যাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আজ আমরা কথা বলার, চলাফেরার এবং রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার সুযোগ পাচ্ছি তাদের ঋণ কখনো শোধ হওয়ার নয়।দেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট, গণতান্ত্রিক অধিকার এবং সংগঠনের ভূমিকা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনায় বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও যশোর-কুষ্টিয়া অঞ্চল পরিচালক মোঃ মোবারক হোসেন বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে মানুষের দ্বারে দ্বারে গিয়ে কাজ করেছি। বিশেষ করে শহীদ পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়িয়ে তাদের চিকিৎসা সহায়তা প্রদান করেছি এবং জুলাই বিপ্লবের শহীদদের স্মরণে স্মরণিকা প্রকাশ করেছি। যাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আজ আমরা কথা বলার, চলাফেরার এবং রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার সুযোগ পাচ্ছি তাদের ঋণ কখনো শোধ হওয়ার নয়।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের মানুষ পরিবর্তন চায়। জনগণ এবারের নির্বাচনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দিয়েছে। কিন্তু দুঃখজনকভাবে নির্বাচন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে জনগণের সেই রায়কে বাধাগ্রস্ত করা হয়েছে। এ বিষয়টি দেশের সচেতন জনগণ খুব ভালোভাবেই উপলব্ধি করছে।
রাজনৈতিক বক্তব্যে তিনি আরো বলেন, আমরা গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও মানুষের মৌলিক অধিকারের পক্ষে রাজনীতি করি। জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা, সুশাসন ও দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যে আমাদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। যারা দেশের জন্য আত্মত্যাগ করেছে, যারা এ দেশকে নতুন করে স্বাধীনতার স্বাদ এনে দিয়েছে আমরা তাদের কখনো ভুলে যাব না এবং তাদের দাবি বাস্তবায়নের জন্য রাজপথে আমাদের অবস্থান অব্যাহত থাকবে।
সংগঠন শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, ওয়ার্ড সভাপতিরা সংগঠনের মূল ভিত্তি। তাদের কার্যকর ভূমিকা ছাড়া শক্তিশালী সংগঠন গড়ে তোলা সম্ভব নয়। তাই প্রত্যেক ওয়ার্ড সভাপতিকে আদর্শিকভাবে দৃঢ়, নীতিবান, দক্ষ ও সময়োপযোগী হতে হবে। একটি শক্তিশালী কর্মীবাহিনী গড়ে তোলা ছাড়া সংগঠন টেকসই হয় না। এজন্য তৃণমূল পর্যায়ে দাওয়াতি কাজ বৃদ্ধি এবং নতুন কর্মী তৈরির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে।
তিনি নেতাকর্মীদের উদ্দেশে আরও বলেন, আমাদের রাজনীতি হতে হবে আদর্শভিত্তিক, শৃঙ্খলাপূর্ণ ও জনকল্যাণমুখী। ব্যক্তি স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে সংগঠন ও দেশের স্বার্থকে প্রাধান্য দিতে হবে। তাহলেই আমরা একটি ইনসাফভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হবো।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী যশোর জেলার উদ্যোগে ওয়ার্ড সভাপতি সম্মেলন শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সকাল দশটা থেকে বারোটা পর্যন্ত যশোর জেলা পরিষদ মিলনায়তনে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে। জেলার বিভিন্ন উপজেলা ও থানা পর্যায় থেকে আগত নেতৃবৃন্দের অংশগ্রহণে মিলনায়তন পরিণত হয় এক প্রাণবন্ত সাংগঠনিক মিলনমেলায়।
যশোর জেলা নায়েবে আমীর মাওলানা হাবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে আয়োজিত এ সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় দায়িত্বশীল আবু সাদিক।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন জেলা সেক্রেটারি আবু জাফর সিদ্দিক, জেলা সহকারী সেক্রেটারি বেলাল হোসেন, অধ্যাপক গোলাম কুদ্দুস, ভিপি আব্দুল কাদের, মাওলানা রেজাউল করিম, অধ্যাপক মনিরুল ইসলাম জেলা শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক ও জেলা কর্মপরিষদ সদস্য আবুল হাশেম রেজা, প্রচার সেক্রেটারি শাহাবুদ্দিন বিশ্বাস, শহর ভারপ্রাপ্ত আমীর ইসমাইল হোসেন এবং পেশাজীবী থানার সভাপতি খন্দকার রশিদুজ্জামান রতনসহ জেলা ও উপজেলার অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন জেলা সহকারী সেক্রেটারি শামসুজ্জামান।
সভাপতির বক্তব্যে মাওলানা হাবিবুর রহমান বলেন, সংগঠনকে গতিশীল ও শক্তিশালী করতে হলে তৃণমূল পর্যায়ের নেতৃত্বকে আরও দায়িত্বশীল হতে হবে। তিনি বলেন, ওয়ার্ড পর্যায়ে সংগঠনকে সুসংগঠিত করতে পারলে জেলা ও কেন্দ্রীয় পর্যায় স্বয়ংক্রিয়ভাবে শক্তিশালী হবে। এজন্য সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
সম্মেলনে বক্তারা সংগঠনের আদর্শিক ভিত্তি সুদৃঢ় করা, সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার করা এবং জনগণের মাঝে ইতিবাচক ভাবমূর্তি গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। দিনব্যাপী এ সম্মেলনে যশোর জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে আগত নেতৃবৃন্দ সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেন।