চবি সংবাদদাতা

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) শাহ আমানত হলের সামনে গত ১৭ মে রোববার রাতে প্রকাশ্যে দেশীয় অস্ত্রসংশ্লিষ্ট ঘটনা ঘটে এতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ব্যাবস্থা নিতে গড়িমসি করে। বিচার ও তিন দফা দাবি চেয়ে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছে বাংলাদেশ ইসলামি ছাত্রশিবির চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা।

গতকাল বুধবার বেলা ২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকসু ভবনের সামনে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়ে প্রশাসনিক ভবন ও হল পাড়ায় প্রদক্ষিণ করে জিরোপয়েন্টে বক্তব্যের মাধ্যমে শেষ হয়।

বিক্ষোভে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ পারভেজ, সাংগঠনিক সম্পাদক হাবিবুল্লাহ খালেদ, অফিস সম্পাদক রবিউল ইসলাম, অর্থ সম্পাদক ইসহাক ভুঁইয়া, সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক হারেস মাতব্বর, দাওয়াহ্ সম্পাদক নিয়ামতুল্লাহ ফারাবি, ছাত্র অধিকার সম্পাদক মোনায়েম শরীফসহ সংগঠনটির অন্যান্যরা।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উদ্দেশ্যে ছাত্রশিবিরের শাখা সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ পারভেজ বলেন, ক্যাম্পাস বন্ধ হওয়ার আগেই যদি দাবিগুলো পূরণ না হয়, তবে আমরা কঠোর কর্মসূচিতে যেতে বাধ্য হবো। তিনি বলেন, ছাত্রশিবির অধিকার আদায়ের জন্য শুরুতে নমনীয় ভাষায় কথা বললেও, প্রয়োজনবোধে সন্ত্রাসীদের এবং তাদের পৃষ্ঠপোষকদের কঠোরভাবে দমন করতে জানে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়কে কোনোভাবেই অনিরাপদ থাকতে দেওয়া হবে না।

বিক্ষোভে নেতারা আরও বলেন, অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও স্থায়ী বহিষ্কার করতে হবে। দাবি আদায় না হলে আন্দোলন শুধু জিরো পয়েন্টে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজনে রেজিস্ট্রার ভবনের সামনেও কর্মসূচি যাবে। শিক্ষার্থীদের অধিকার নিশ্চিত না হলে পুরো বিশ্ববিদ্যালয় অচল করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়ে প্রশাসনকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তারা।

ছাত্রশিবিরের তিন দফা দাবির মধ্যে রয়েছে- আমানত হল থেকে অস্ত্রসহ বের হওয়া সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করতে হবে এবং শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে পুরো ক্যাম্পাসকে সিসিটিভির আওতায় আনতে হবে। ক্যাম্পাসকে সম্পূর্ণভাবে মাদকমুক্ত ও অস্ত্রমুক্ত করার কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।