চরফ্যাশন (ভোলা) সংবাদদাতা : ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার ওমরপুর ইউনিয়নের ৭নম্বর ওয়ার্ডে পিতার মৃত্যুর পর লাশ দাফনে বাঁধা ও ছোট ভাইকে জিম্মি করে অলিখিত ষ্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেয়ার অভিযোগে বড় ভাইদের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেছে ছোট ভাই।
চরফ্যাশনে নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রট আদালতে ভুক্তভোগী ছোট ভাই নুরুল ইসলামের দাখিল করা এমপি -৩৯/২৬ (১৬/০৪/২৬) মামলা সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ওমরপুর ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মো: নুরুল ইসলামের পিতা মো: তোফাজ্জল হোসেন গত ১১ এপ্রিল /২৬ ইন্তিকাল করেন। মৃত্যুকালীন তিনি ৩ ছেলে, ৫ মেয়ে ও ১ স্ত্রী জীবিত রেখে যান।
বাবার মৃত্যুর পর ২ ছেলে মো: ইসমাইল নসু ও আবু তাহের বাচ্চু স্হানীয় কতিপয় ক্যাডার নিয়ে তার লাশ দাফনো বাঁধা প্রদান করেন। একই সাথে আপন ছোট ভাই নুরুল ইসলামকে জিম্মি করে জোরপূর্বক ৩টি অলিখিত ষ্ট্যাম্পে সাক্ষর নেন।
এ ব্যাপারে অভিযোগকারী নুরুল ইসলাম বলেন, আমরা ৩ ভাই, ৫ বোন ও মা জীবিত রয়েছে। গত ১১ এপ্রিল /২৬ বিকেল ৩টায় আমার বাবা মারা গেছে। জীবিত থাকাকালীন ১৫ বছর আগে তিনি ৪০ শতাংশ জমি আমাকে দলিল দিয়েছেন। অপর ২ ভাই ও ৫ বোনকে জমি বিক্রি করে সমপরিমাণ টাকা দিয়েছেন। পরবর্তীতে আমার ৭/৮ বছর আগে নগদ টাকার প্রয়োজনে ২০ শতাংশ জমি আমার কাছে বিক্রি করেন বাবা।
অথচ বাবার মৃত্যুর পর ২ ভাই ও স্থানীয় কতিপয় ক্যাডার মিলে বাবার লাশ দাফনে বাঁধা প্রদানের পাশাপাশি আমাকে জিম্মি করে অলিখিত ৩টি ষ্ট্যাম্পে সাক্ষর নিয়েছে জোরপূর্বক। জোরপূর্বক সাক্ষর নেয়া ষ্ট্যাম্পগুলো ব্যবহার করে আমাকে হয়রানির চেষ্টা করছে।
তিনি আরও বলেন, আমি বাধ্য হয়ে ষ্ট্যাম্পে উদ্ধারে আদালতে মামলা করেছি। চরফ্যাশন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রট আদালত চরফ্যাশন থানার অফিসার ইনচার্জকে অলিখিত ৩টি ষ্ট্যাম্প উদ্ধারের নির্দেশ দিয়েছে।
অভিযুক্ত বড় ভাই ইসমাইল হোসেন নসু বলেন,আমাদের বিরুদ্ধে ছোট ভাইয়ের আনা অভিযোগ ঠিক নয়। আমরা কোন অলিখিত ষ্ট্যাম্পে সাক্ষর নেইনি।
চরফ্যাশন থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) খলিলুর রহমান বলেন, আদালতের নির্দেশের কাগজ পাইনি। পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।