তাড়াশ (সিরাজগঞ্জ) সংবাদদাতা : চলনবিল অধ্যুষিত তাড়াশ উপজেলায় কয়েক দিনের ভারি বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পানিতে বিল এলাকার খাল-বিল পানিতে ভরে গেছে। আর সেই সুযোগে বিলের নতুন পানিতে স্থানীয় ভাষায় ধুন্দি (চাই) দিয়ে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করছেন অনেকেই।
রোববার বিলপাড়ের দিঘীসগুনা এলাকায় দেখা মেলে ধুন্দি দিয়ে মাছ ধরতে আসা বেশ কয়েকজনের সাথে। অনেকগুলো ধুন্দি নিয়ে বিলের পানিতে নামার পূর্বে তারা প্রস্তুতি গ্রহণের আগ মুহূর্তে কথা হয় ফজল নামের এক ব্যক্তির সাথে। তিনি জানান, আমি কোন জেলে না বা মাছ ধরা আমার পেশা না। আমি দিনমজুরের কাজ করে খাই। তবে জ্যৈষ্ঠ আষাঢ় মাসে এ এলাকায় কোন কাজ না থাকায় আমরা বাধ্য হয়ে পরিবার পরিজনের প্রয়োজনে ধুন্দি দিয়ে মাছ ধরে বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করে থাকি। তিনি আরও বলেন, আমার ২০টি ধুন্দি রয়েছে সকাল দুপুর ও বিকেলে ধুন্দি ঝেরে যে মাছ পাই তা বিক্রি করে সংসারের প্রয়োজনীয় মিটিয়ে থাকি। তিনি আর ও জানান, সারাদিন ২০টি ধুন্দি থেকে মাছ বিক্রি করে ৫শ’ ধেকে ৬শ’ টাকা পাওয়া যায়।
লিচুর বিচি গলায় আটকে প্রাণ গেল শিশুর
পাবনার চলনবিলের ভাঙ্গুড়ায় লিচুর বিচি গলায় আটকে হোসাইন (৭) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (১২ মে) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার অষ্টমনিষা ইউনিয়নের হরিহরপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
ভাঙ্গুড়া থানার ওসি সাকিউল আযম এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। নিহত শিশু ওই গ্রামের মাসুদ হোসেনের ছেলে।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, বাড়ির উঠানে লিচুর বিচি পড়েছিল। সকালে শিশু হোসাইন ওঠানে খেলার সময় সকলের অজান্তে লিচুর বিচি মুখে দেয়। এতে লিচুর বিচি ওই শিশুর গলায় আটকে ছটফট করতে থাকে। এসময় পরিবারের সদস্যরা লিচুর বিচি বের করার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে মুমূর্ষ অবস্থায় শিশুটিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জরুরি বিভাগে দায়িত্বরত চিকিৎসক আরাফাত ইসলাম বলেন, ‘হাসপাতালে নিয়ে আসার পূর্বেই শিশুটির মৃত্যু হয়।’