মো. রফিকুল ইসলাম, কালিগঞ্জ (সাতক্ষীরা) : সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ উপজেলায় বর্তমানে বাণিজ্যিকভাবে সজিনা চাষ ও বিক্রির ব্যাপক প্রসার ঘটেছে। এই এলাকার কৃষকরা বাড়ির আঙিনা, রাস্তার পাশ এবং পতিত জমিতে সজিনা চাষ করে স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করছেন। বসন্তে এই সময় প্রকৃতিতে পরিবর্তন ও পরিবর্ধনের যে ছোয়া এবং সৌন্দর্যের বিকিরন তার মধ্যে নানান ধরনের ফুল, কোন কোন ফুল কেবলই সৌন্দর্যের এবং কেবলই ফুল ঝরে যায় সময়ের আবহে। কিন্তু কোন কোন ফুল ফলের উৎস্য, সবজির উৎস্য আর ঔষধীগুনের পরিপূর্ণতায় সম্ভব। এমনই এক ফুল সজনের ফুল। অত্যন্ত ঔষধী গুন সমৃদ্ধ এই ফুল নানান ধরনের রোগ এর মহাষৌধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে যুগ হতে যুগান্তর। বর্তমান সময়ে সজনে গাছে গাছে ফুল ধরেছে। আমাদের দেশের বাস্তবতায় সজনে ডাটা যেমন ঔষধী সবজি হিসেবে বিশেষভাবে পরিচিত এ ক্ষেত্রে সজনে ফুলও পাতা ও অতি উপকারী ঔষধী খাদ্য হিসেবে ভূমিকা রেখে চলেছে। সজনে ফুলে অতি পরিমান ভিটামিন গুনাগুন বিদ্যমান। কয়েক সপ্তাহ পূর্বে এক কেজি সজনে ১৪০-১৫০ টাকা বিক্রি হয়েছিল।

বর্তমান বাজার কমে গেছে এখন প্রতি কেজি ৩০-৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ উপজেলার ১২টি ইউনিয়নের গ্রাম-গঞ্জে বিভিন্ন এলাকাতে বানিজ্যিক ভাবে উৎপাদিত সজনে জেলার চাহিদা মিটিয়ে রাজধানী ঢাকা সহ দেশের অন্যান্য এলাকার চাহিদা পুরন করে আসছে। বাজারে নতুন আসলে সজনে ডাটা অবশ্য সব ধরনের ক্রেতাদের পরখ করার সুযোগ হয় না, কারন মূল্য কিছুটা বেশী। বর্তমানে সজনে ফুল ও পাতা সংগ্রহের বিষয়টি বিশেষ ভাবে লক্ষণীয়। গ্রামীণ জনপদের এই সবজি উৎপাদনে ও চাষে উদ্যোগী হলে অর্থনৈতিক উপার্জনের পাশাপাশি ঔষধী সবজির সংস্পর্শে আসা সম্ভব হবে।