• সমাজে ব্যাপক বিশৃঙ্খলা দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা আছে- বিরোধীদলীয় নেতা
  • সরকার কুরআন সুন্নাহ বিরোধী আইন না করার প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করছে - নাজিবুর রহমান
  • বিলের সাথে শরিয়া আইনের কোনো সংঘাত নেই -আইনমন্ত্রী

সংসদে কুরআন সুন্নাহ বিরোধী আইন বিল পাশের কঠোর বিরোধীতা করে ওয়াকআউট করেছেন বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা। রাত আটটা ১০ মিনিটে তারা ওয়াক আউট করে সংসদ অধিবেশন থেকে বেরিয়ে যান। এর আগে তারা সংসদে কুরআন সুন্নাহ বিরোধী আইন ‘ট্রান্সফার অব প্রোপার্টি অ্যাক্ট ১৮৮২’,র বিষয়ে জনমত যাচাইয়ের জন্য পাঠানোর প্রস্তাব দেন সংসদ সদস্যরা। তবে এসব আপত্তি সত্ত্বেও পাশ করা হয় আইনটি।

আইন নিয়ে কথা বলেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান ও ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান।

ডা. শফিকুর রহমান এই সেশনে পাশ না করার অনুরোধ করে বলেন, আইনটি মানবিক দৃষ্টিকোন থেকে আনা হয়েছে বলে আমি মনে করি। এই আইনের ইনটেশন নিয়ে আমার কোন প্রশ্ন নেই। কিন্তু আমাদের আপত্তির জায়গাটা হচ্ছে আল্লাহ রাব্বুল আলামিন যে চিরস্থায়ী বিধান দিয়েছেন মানুষের জন্য; এর ওপর যারা বিশ্বাস এনেছেন, তারা এই আইনটি কিভাবে দেখবে। তিনি মহাগ্রন্থ আল কুরআনের সুরা নিসার ১১,১২,১৩ ও ১৪ নম্বর আয়াতের কথা উল্লেখ করে বলেন, প্রথম দুটি আয়াতে বলা হয়েছে মিরাজ কিভাবে আবর্তিত হয়। আর দুটি আয়াত হচ্ছে তার পরিণতি নিয়ে। ভাল এবং খারাপ দুটোই। এখানে স্পষ্টতই একটা সাংঘর্ষিক অবস্থা আছে শরিয়াতের সাথে। তিনি বলেন উইল বা হেবার যে বিষয়টি এখানে এসেছে, উইল বা হেবার শর্ত হচ্ছে উইল যার নামে হবে, তিনি তখন থেকেই মালিক হবেন। পূর্ণ মালিকানা ভোগ করবেন। যদি তিনি মালিকানা ভোগ না করেন, তাহলে উইল কার্যকর হবে না। এক্ষেত্রে হযরত আয়েশা রা: এর একটি হাদিস আছে। তার বাবা তাকে একটা উইল করেছিলেন। কিন্তু তিনি কোনদিন ভোগ করেননি। পরে বাবা বলে দিলেন যেহেতু তুমি ভোগ করোনি। সুতরাং এটার আর কার্যকারিতা নাই। তার মানে হলো যাকে উইল করা হবে সে মালিক হবে এবং ভোগ করবে। আর যদি বলা হয় মৃত্যুর পর হবে তবে এটা উইল হবে না এটা হবে অসিয়ত। অসিয়ত কার্যকর হয় মৃত্যুর পর। এখানে কথা হলো বৈধ উত্তরাধিকারীদের কারো নামেই অসিয়ত করা যাবে না। আবার অসিয়তের সর্বোচ্চ সীমা হচ্ছে তিন ভাগের এক ভাগ। এই আইনে এই ধরনের বিষয়গুলো সম্পৃক্ত নেই। এখানে সরাসরি সাংঘর্ষিক অবস্থা তৈরি হচ্ছে। আমার কথা হচ্ছে আমরা কুরআনের মূলনীতি রাখবো নাকি বাদ দিবো। আমাদের কি বাদ দেওয়ার অধিকার আছে ? আমি কোন ফকিহ ও নই মুফতিও নই। আমি আপনাদের মতোই একজন সাধারণ ছাত্র। আমি বিশ্বাস করি বিষয়টি খুবই স্পর্শকাতর। মানুষের ঈমান আক্বিদার সাথে সম্পর্কিত। কুরআন এবং সুন্নাহর মূলনীতি এবং প্রয়োগের সাথে। আইনটি এভাবে উপস্থাপনের কারণে সমাজে ব্যাপক বিশৃঙ্খলা দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা আছে। এমনকি হকদারের হক বিনষ্ট হওয়ার সম্ভাবনাও আছে। তিনি এ্ই সেশনে আইনটি পাশ না করে শরীয়া আইনের যারা অথোরিটি তাদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হউক। তারা বিষয়টা দেখে পরীক্ষা নিরীক্ষা করে আমাদের কোন সুপারিশ করলে সেটা জাতির জন্য ভালো হবে। আমি বলবো ইসলামী ফাউন্ডেশনে রেফার করা যেতে পারে। তারা সেখানে স্কলারদের নিয়ে হোমওয়ার্ক করে তা আমাদের সামনে উপস্থাপন করবেন। তাহলে আল্লাহর আইনের খেলাপ থেকে রক্ষা পাবো।

প্রথমেই ফ্লোর নিয়ে কথা বলেন, ব্যারিস্টার নজিবুর রহমান। তিনি বলেন, আইনটি কুরআন সুন্নাহ বিরোধী। তিনি রেফারেন্স টেনে বলেন, ২০২৫ সালের ২৩ নভেম্বর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছিলেন বিএনপি ক্ষমতায় এলে কুরআন সুন্নাহ বিরোধী কোন আইন করবে না। একইভাবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২৮ ডিসেম্বর ২০২৬ সালে বলেছিলেন, আমরা ৯৫ ভাগ মুসলমান। কুরআন সুন্নাহ বিরোধী কোন আইন করা হবে না। এই সরকার সেই প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে কুরআন সুন্নাহ বিরোধী ‘ট্রান্সফার অব প্রোপার্টি অ্যাক্ট ১৮৮২’ বিলটি পাশ করতে যাচ্ছে। কথাটি বলেছিলেন প্রধানমন্ত্রীর যাকাত বিষয়ক উপদেষ্টাও। তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, বৃটিশ সরকারও কুরআন সুন্নাহর আইনকে গুরুত্ব দিয়েছিলেন। তিনি বলেন, ইসলামিক বিশেষজ্ঞদের মতে আজীবন ভোগদখলের বিধান রেখে দানের ব্যবস্থা শরীয়তের পরিপন্থি। এতে করে আল্লাহর নির্ধারিত মিরাসি বিধানকে বাইপাস করার সুযোগ তৈরি হবে, যা ১৯৩৭ সালের মুসলিম পার্সোনাল ল (শরীয়ত) অ্যাপ্লিকেশন অ্যাক্টের মূলনীতির সঙ্গে মেলে না। সামাজিক সমস্যার সমাধানে বাবা-মায়ের নিরাপত্তা জরুরি হলেও ২০১৩ সালের পিতা-মাতার ভরণপোষণ আইনের মাধ্যমেই তার সুরাহা সম্ভব, ইসলামী পারিবারিক আইন পাশ কাটিয়ে নয়।

তবে বিলের প্রশংসা ও সমর্থন জানিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা বলেন, সন্তানের হাতে বাবা-মায়ের নিগৃহীত হওয়া এবং বৃদ্ধাশ্রমে আশ্রয় নেওয়ার ঘটনা অহরহ ঘটছে। তবে বিলে কিছু সংশোধনী আনার প্রস্তাব দিয়ে তিনি বলেন, সন্তানরা যাতে বাবা-মাকে অবহেলা করলে দাতা এককভাবে দলিল বাতিলের আবেদন করতে পারেন সেই সুযোগ রাখা দরকার। পাশাপাশি লিখিত সম্পত্তি ব্যাংকে বন্ধক রেখে ঋণ নেওয়া বা তৃতীয় পক্ষের কাছে হস্তান্তরের সুযোগ বন্ধ করা এবং পারিবারিক আদালতের মাধ্যমে দ্রুত সামারি ট্রায়ালের বিধান যুক্ত করার সুপারিশ করেন তিনি। অনুরূপভাবে বিলটির মানবিক দিক সমর্থন করে কিশোরগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল বলেন, অনেক কুলাঙ্গার সন্তান বাবা-মায়ের সমস্ত সম্পদ লিখে নিয়ে শেষ বয়সে তাদের বৃদ্ধাশ্রমে পাঠিয়ে দেয়। বাবা-মায়ের শেষ জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনটিকে আরও শক্ত ও যুগোপযোগী করার পাশাপাশি অতি দ্রুত যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জোর দাবি জানান তিনি।

অন্যদিকে, বিলটিকে শরীয়তের ওপর কৌশলী আঘাত হিসেবে আখ্যায়িত করেন ময়মনসিংহ-৬ আসনের সংসদ সদস্য মো. কামরুল হাসান। তিনি বলেন, ১৮৮২ সালের পুরানো আইন সংশোধনের নামে মানবাধিকার ও সমতার কথা বলে মুসলিম পারিবারিক আইনে হাত দেওয়া হচ্ছে। গুটি কয়েক সন্তানের অপকর্মের জন্য মূল ইসলামী চেতনা সংক্রান্ত আইনি কাঠামোতে হাত দেওয়া অনুচিত। এটি নিয়ে দেশের ইসলামিক স্কলারদের ঘোর আপত্তি রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বিলটি বিস্তারিত পর্যালোচনা ও জনমত যাচাইয়ের দাবি জানান।

বাগেরহাট-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আব্দুল আলিম বলেন, আবেগের বশে বা ইমোশনাল ব্ল্যাকমেলের শিকার হয়ে বাবা-মা যেভাবে সর্বস্ব দান করে নিঃস্ব হন, তার সমাধানের জন্য ইসলামী নীতির এক-তৃতীয়াংশের বেশি দান না করার বাধ্যবাধকতার রাষ্ট্রীয় প্রয়োগ প্রয়োজন ছিল। এই বিলটি ইসলামী বিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হওয়ায় তিনি ২০২৬ সালের ২০ অক্টোবরের মধ্যে বিলটি জনমত যাচাইয়ের জন্য পাঠানোর প্রস্তাব করেন। শেরপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. রাশেদুল ইসলাম রাশেদ বলেন, সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের বাধ্যবাধকতা সত্ত্বেও অনেক সংসদ সদস্য ভেতরে ভেতরে এই বিলের বিষয়ে চিন্তিত। ইসলামী ফিকহ অনুযায়ী হেবা সম্পূর্ণ হতে সম্পত্তির বাস্তব দখল বা 'কব্জা' হস্তান্তর জরুরি। কিন্তু কাগজে মালিকানা দিয়ে বাস্তবে দখল নিজের কাছে রেখে মৃত্যুর পর কার্যকর হওয়ার বিধান মূলত হেবার সংজ্ঞা বদলে দেয় এবং উত্তরাধিকারীদের বঞ্চিত করার পথ খুলে দেয়। এ কারণে এই কাঠামোগত পরিবর্তন জনমতের জন্য উন্মুক্ত করা আবশ্যক।

একইভাবে পাবনা-৩ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আলী আজগার বলেন, প্রস্তাবিত এই সংশোধনটি শরীয়তের মিরাজ, ফারায়েজ ও ওসিয়ত সংক্রান্ত বিষয়ের সঙ্গে পুরোপুরি সাংঘর্ষিক। তাই ইসলামিক ফাউন্ডেশন ও আলেম-ওলামাদের সমন্বয়ে মতামত গ্রহণের আহ্বান জানিয়ে তিনিও আগামী ২০ অক্টোবরের মধ্যে বিলটির ওপর জনমত যাচাইয়ের তাগিদ দেন। চট্টগ্রাম-১৬ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ জহিরুল ইসলামও আইনটির মানবিক দিক ও ধর্মীয় মূলনীতির ভারসাম্যের ওপর জোর দিয়ে বলেন, নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের এই সময়ে তড়িঘড়ি না করে ফিকহ শাস্ত্রবিদদের মতামত নেওয়া উচিত, যাতে ইসলামী নীতি ক্ষুণ্ন না হয়। তিনিও ২০ অক্টোবরের মধ্যে সময় বেঁধে দিয়ে জনমত যাচাইয়ের পক্ষে মত প্রকাশ করেন।

চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. মাসুদ পারভেজ আলোচনায় অংশ নিয়ে বলেন, কতিপয় বিপথগামী সন্তানের অপরাধের শাস্তি নির্ধারণ করা এবং বিদ্যমান ভরণপোষণ আইনের যথাযথ প্রয়োগ করাই যথেষ্ট ছিল। মূল পারিবারিক ও ধর্মীয় আইনি ভিত্তি পরিবর্তন করলে সাধারণ মানুষ আইনি জটিলতা ও নিগ্রহের শিকার হবে। সর্বসাধারণকে সচেতন করতেই আইনটি পাসের আগে জনমত যাচাই করা জরুরি।

পটুয়াখালী-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, কুরআন-সুন্নাহর বিধানকে পাশ কাটিয়ে কোনো আইন করলে তা জনমনে বিভ্রান্তি ও সামাজিক অস্থিরতা তৈরি করবে। এটিকে রাজনৈতিকভাবে না দেখে ফতোয়া বোর্ড ও ওলামায়ে কেরামের পরামর্শের জন্য পাঠানো উচিত বলে মন্তব্য করেন তিনি।

জবাবে আইনমন্ত্রী মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান ১৯২২ সালের প্রিভি কাউন্সিল, ১৯৫৬ সালের ভারতীয় সুপ্রিম কোর্ট এবং ১৯৬৯ সালের লাহোর হাইকোর্টের বিভিন্ন রায়ের উদ্ধৃতি তুলে ধরেন। আইনমন্ত্রী বলেন, "বিলের সাথে শরিয়া আইনের কোনো সংঘাত নেই। সম্পত্তির মালিকানা (ঈড়ৎঢ়ঁং) এবং ভোগদখলের অধিকারকে (টংঁভৎঁপঃ) আলাদা করার স্বীকৃতি ইসলামী আইনেই রয়েছে। বাবা-মা সন্তানের নামে মালিকানা লিখে দিলেও আজীবন তারা সেই সম্পত্তির ভোগদখল করতে পারবেন— এটি সম্পূর্ণ বৈধ।"

তিনি আরও বলেন, "মিশর, জর্ডান, সংযুক্ত আরব আমীরাত এবং মালয়েশিয়ার মতো মুসলিম দেশগুলোর সিভিল কোডেও এ ধরনের বিধান রয়েছে। অসহায় বাবা-মা যেন শেষ বয়সে বৃদ্ধাশ্রমে ধুঁকে না মরেন, তাদের রক্ষার্থেই যুগান্তকারী এই আইনটি করা হচ্ছে। এখানে অসৎ কোনো উদ্দেশ্য নেই। আইনমন্ত্রীর ব্যাখ্যার পর, স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বিরোধী দলের আনা জনমত যাচাইয়ের প্রস্তাবগুলো কণ্ঠভোটে দেন। এর মধ্য দিয়ে সংসদে বিলটির জনমত যাচাই প্রস্তাব নাকচ হয়ে যায়। এর পর বিলটি পাশের জন্য প্রস্তাব করা হলে তা কণ্ঠভোটে পাশ হয়।

এদিকে একইদিনে গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল ২০২৬ বিলটি বিরোধী দলের অনুপস্থিতিতে পাশ করা হয়। তার আগে রাত ৮টার দিকে বিরোধীদলীয় নেতা জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমানসহ বিরোধীদলের সংসদ সদস্যরা ওয়াকআউট করেন। এদিন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে অধিবেশনে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল, ২০২৬ ও গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’ এর বিরোধিতা করে বিরোধীদল। পরে তারা ওয়াকআউট করেন।

জামায়াতের বিক্ষোভ আজ : জাতীয় সংসদে উপস্থাপিত ‘কোরআন-সুন্নাহ বিরোধী সম্পত্তি হস্তান্তর সংশোধন বিল’-এর প্রতিবাদে আজ সোমবার বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী।

গতকাল রোববার দলটির ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ শাখা থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সোমবার বিকেল ৪টা ৩০ মিনিটে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে এই বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।

সমাবেশে প্রধান অতিথি থাকবেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখবেন দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান এমপি।

কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করবেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমীর মো. নূরুল ইসলাম বুলবুল এমপি।