- বেসামরিক স্থাপনায় ট্রাম্পের হামলার হুমকি যুদ্ধাপরাধের শামিল
- ইসরাইলে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত ২
- তেহরানে মার্কিন-ইসরাইলী হামলায় ৬ শিশু নিহত
ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ বিভিন্ন বেসামরিক স্থাপনায় হামলার হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ নিয়ে ইরানের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্টের এমন হুমকি যুদ্ধাপরাধের শামিল হতে পারে। গণহত্যাকারী ইসরাইল ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) গোয়েন্দা প্রধান মাজিদ খামেনিকে হত্যা করেছেন। এদিকে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান যুদ্ধ স্থায়ীভাবে বন্ধের লক্ষ্যে ৪৫ দিনের একটি সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতির শর্তাবলী নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আঞ্চলিক মধ্যস্থতাকারী বিশেষ করে পাকিস্তান, মিশর ও তুরস্কের পাশাপাশি মার্কিন দূত স্টিভ উইটকফ এবং ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির মধ্যে সরাসরি বার্তার মাধ্যমে এই আলোচনা চলছে। এছাড়া ইসরাইলের হাইফা শহরে ব্যালাস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ২ জন এবং যুক্তরাষ্ট্র- ইসরাইলের হামলায় তেহরান প্রদেশে ৬ শিশু নিহত হয়েছে। দ্য গার্ডিয়ান, আল-জাজিরা, বিবিসি, সিএনএন, এএফপি, নিউইয়র্ক টাইমস, রয়টার্স, এপি, অ্যাক্সিওস।
ইরানের বিপ্লবী গার্ডের গোয়েন্দাপ্রধান নিহত
ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) গোয়েন্দাপ্রধান মাজিদ খাদেমি নিহত হয়েছেন। তাকে হত্যার দায় নিয়েছে ইসরাইল।
ইসরাইলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরাইল কাৎজের পাশাপাশি ইসরাইলী প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) পক্ষ থেকে এই হত্যার দায় স্বীকার করা হয়।
টেলিগ্রামে দেওয়া এক পোস্টে আইডিএফ বলেছে, এই হত্যাকাণ্ড ইরানের বিপ্লবী গার্ডের জন্য আরও একটি বড় ধাক্কা।
অবশ্য ইসরাইলের আগেই ইরানের পক্ষ থেকে খাদেমির নিহত হওয়ার তথ্য নিশ্চিত করা হয়। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত আইআরজিসির বিবৃতিতে বলা হয়, গতকাল সোমবার সকালে তিনি নিহত হয়েছেন। তাকে হত্যার জন্য ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করে আইআরজিসি।
২০২৫ সালের ১৫ জুন ইসরাইলী হামলায় আইআরজিসির তৎকালীন গোয়েন্দাপ্রধান মোহাম্মদ কাজেমি নিহত হন। এর চার দিন পর তার স্থলাভিষিক্ত হন খাদেমি। এখন তাকেও হত্যা করল ইসরাইল।
বেসামরিক স্থাপনায় ট্রাম্পের হামলার হুমকি যুদ্ধাপরাধের শামিল: ইরান
ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ বিভিন্ন বেসামরিক স্থাপনায় হামলার হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার দেওয়া সময়সীমার মধ্যে চুক্তি না করলে ইরানকে ‘নরকের স্বাদ’ দেওয়ারও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। এ নিয়ে ইরানের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্টের এমন হুমকি যুদ্ধাপরাধের শামিল হতে পারে।
গতকাল সোমবার ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম ঘারিভাবাদি বলেছেন, ‘ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং সেতুগুলোতে হামলার বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুমকি যুদ্ধাপরাধের শামিল হতে পারে।’
সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে ঘারিভাবাদি আন্তর্জাতিক আইনের বিভিন্ন ধারা উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট তার দেশের সর্বোচ্চ কর্মকর্তা হিসেবে প্রকাশ্যে যুদ্ধাপরাধ করার হুমকি দিয়েছেন।
ঘারিভাবাদি আরও লিখেছেন, বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং সেতুর মতো বেসামরিক অবকাঠামোতে হামলার হুমকি দেওয়া আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) রোম সংবিধির অনুচ্ছেদ ৮(২)(খ) অনুযায়ী একটি যুদ্ধাপরাধ।
ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া পোস্টে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেছেন, হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার বিষয়ে ইরান কোনো চুক্তিতে না পৌঁছালে বড় বড় সেতু ও বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে। পৃথক এক পোস্টে ট্রাম্প চুক্তি করার সময়সীমা আরও ২৪ ঘণ্টা বাড়ান। লিখেন, ‘পশ্চিমা সময় মঙ্গলবার রাত আটটা’ (বাংলাদেশ সময় বুধবার ভোর ৬টা)।
এর আগে এক পোস্টে ট্রাম্প ইরানকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছিলেন, ‘হরমুজ প্রণালি খুলে না দিলে দেশটিকে নরকের স্বাদ পেতে হবে।’ মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই হুমকির জবাবে ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ গালিবাফ সতর্ক করে বলেছেন, ট্রাম্পের এই বেপরোয়া পদক্ষেপে পুরো অঞ্চলে আগুন জ্বলবে।
ইরানে সংঘাত বন্ধে ৪৫ দিনের যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনা
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান যুদ্ধ স্থায়ীভাবে বন্ধের লক্ষ্যে ৪৫ দিনের একটি সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতির শর্তাবলি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আঞ্চলিক মধ্যস্থতাকারীর উপস্থিতিতে এই আলোচনা হয়েছে বলে মার্কিন সংবাদমাধ্যম এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে আংশিক কোনও চুক্তিতে পৌঁছানোর সম্ভাবনা ক্ষীণ হলেও পরিস্থিতির ভয়াবহ অবনতি ঠেকাতে এই প্রচেষ্টাটিই এখন একমাত্র সুযোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এই চেষ্টা ব্যর্থ হলে ইরানের বেসামরিক অবকাঠামোতে ব্যাপক হামলা এবং পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে উপসাগরীয় দেশগুলোর জ্বালানি ও পানি শোধনাগারগুলোতে ভয়াবহ হামলার আশঙ্কা রয়েছে।
এর আগে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তার দেওয়া সময়সীমা আরও ২০ ঘণ্টা বাড়িয়ে আজ মঙ্গলবার পূর্বাঞ্চলীয় সময় (ইএসটি) রাত ৮টা পর্যন্ত নতুন ডেডলাইন নির্ধারণ করেছেন। অ্যাক্সিওসকে ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্র গভীর আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে এবং একটি চুক্তিতে পৌঁছানো সম্ভব। ভালো সুযোগ রয়েছে, তবে তারা যদি চুক্তিতে না আসে, তবে আমি ওখানের সবকিছু উড়িয়ে দেবো।
জানা গেছে, পাকিস্তান, মিশর ও তুরস্কের মধ্যস্থতাকারীদের পাশাপাশি মার্কিন দূত স্টিভ উইটকফ এবং ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির মধ্যে সরাসরি বার্তার মাধ্যমে এই আলোচনা চলছে। প্রস্তাবিত দুই ধাপের চুক্তিতে প্রথমে ৪৫ দিনের যুদ্ধবিরতি এবং পরবর্তীতে স্থায়ীভাবে যুদ্ধ শেষ করার কথা বলা হয়েছে।
মধ্যস্থতাকারীরা মনে করছেন, হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া এবং ইরানের উচ্চমাত্রার সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম সমস্যার সমাধান কেবল একটি চূড়ান্ত চুক্তির মাধ্যমেই সম্ভব। তবে ইরানিরা স্পষ্ট করে দিয়েছে যে তারা গাজা বা লেবাননের মতো পরিস্থিতি চায় না, যেখানে যুদ্ধবিরতি কেবল কাগজেই সীমাবদ্ধ থাকে।
এদিকে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) নৌ-শাখা কঠোর অবস্থান বজায় রেখেছে। তাদের ভাষ্যমতে, হরমুজ প্রণালির পরিস্থিতি যুদ্ধের আগের অবস্থায় ‘কখনোই ফিরবে না’।
মধ্যস্থতাকারীরা ইরানি কর্মকর্তাদের ওপর জোর দিয়ে বলেছেন, কৌশল দেখানোর আর সময় নেই। আগামী ৪৮ ঘণ্টাই ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ এড়ানোর শেষ সুযোগ।
যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবে নিজেদের অবস্থান জানাল ইরান
মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে পাওয়া সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবের বিপরীতে নিজেদের দাবি ও অবস্থান চূড়ান্ত করেছে ইরান। সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন যে, কোনো ধরনের আলটিমেটাম বা যুদ্ধাপরাধের হুমকির মুখে সমঝোতা আলোচনা চালিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়।
মুখপাত্র বাঘাই জানান, তেহরান তাদের জাতীয় স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে নির্দিষ্ট কিছু শর্ত ও প্রয়োজনীয়তার তালিকা তৈরি করেছে, যা ইতোমধ্যে মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে দেওয়া ১৫ দফার পরিকল্পনাটি ‘অতিরিক্ত ও অযৌক্তিক’ হওয়ার কারণে ইরান তা প্রত্যাখ্যান করেছে।
সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে বাঘাই বলেন, ইরান তার ন্যায়সঙ্গত দাবিগুলো স্পষ্টভাবে তুলে ধরতে দ্বিধা করে না। তবে একে দুর্বলতা বা আপস হিসেবে দেখার সুযোগ নেই, বরং এটি ইরানের নিজেদের অবস্থানের ওপর আস্থার প্রতিফলন। তেহরান বর্তমানে তাদের নিজস্ব প্রতিক্রিয়া ও প্রস্তাবনাগুলো গুছিয়ে এনেছে এবং যথাযথ সময়ে এর বিস্তারিত বিবরণ প্রকাশ করা হবে বলেও তিনি জানান।
তেহরানের শহীদ বেহেস্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা ভবনে সাম্প্রতিক হামলার ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে ওঠার চেষ্টার মধ্যেই ইরানের পক্ষ থেকে এই কূটনৈতিক অবস্থানের কথা জানানো হলো। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সাথে চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে এই যুদ্ধবিরতি প্রচেষ্টা এখন কোন দিকে মোড় নেয়, তা নিয়ে বিশ্বজুড়ে কৌতূহল বাড়ছে।
ইসরাইলের হাইফা শহরে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত ২
ইসরাইলের হাইফা শহরে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। এই হামলায় দুজন নিহত হয়েছেন। তাদের মরদেহ উদ্ধার করেছেন ইসরাইলী উদ্ধারকর্মীরা। ইসরাইলী গণমাধ্যমে এই তথ্য জানানো হয়।
ইসরাইলের ফায়ার অ্যান্ড রেসকিউ সার্ভিস জানিয়েছে, এই দুই ব্যক্তি ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়েছিলেন। পরে সেখান থেকে তাদের নিথর অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে থাকা বা নিখোঁজ থাকা আরও দুজনকে উদ্ধারের চেষ্টা চলছে বলে খবরে জানানো হয়।
ইসরাইলী সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়, রোববার ইরান থেকে নিক্ষেপ করা ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হাইফার একটি আবাসিক ভবনে আঘাত হানে। এতে ভবনটিতে আগুন ধরে যায়। ছয়তলা ভবনটি ধসে পড়ার ঝুঁকিতে আছে।
আল–জাজিরার খবরে বলা হয়, ঘটনাস্থলে গতকাল রাতের পর আজ (সোমবার) সকালেও তল্লাশি ও উদ্ধার তৎপরতা চালানো হচ্ছিল।
এ ছাড়া হাইফায় নতুন করে ইরানি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার খবর পাওয়া গেছে। উদ্ধারকর্মীরা সেখানেও কাজ করছেন।
তেহরান প্রদেশে মার্কিন-ইসরাইলী হামলায় ৬ শিশু নিহত
ইরানের তেহরান প্রদেশে গতকাল রাতে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের চালানো হামলায় ছয় শিশু নিহত হয়েছে। ইরানের ফার্স নিউজ এজেন্সির খবরে এই তথ্য জানানো হয়।
খবরে বলা হয়, নিহত ছয় ি শশুর মধ্যে চারজন মেয়ে, দুজন ছেলে। তাদের সবার বয়স ১০ বছরের নিচে।
ফার্স নিউজ এজেন্সি তেহরান প্রদেশের বাহারিস্তান জেলার একটি আবাসিক এলাকায় হওয়া এক হামলার প্রসঙ্গ টেনে এই হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ করে।
এই হামলায় মোট ১৩ জন নিহত হয় বলে আগেই জানিয়েছিল সংবাদ সংস্থাটি।
ট্রাম্পের হুমকির জবাবে ‘আরও অনেক বেশি বিধ্বংসী’ পাল্টা হামলার হুঁশিয়ারি ইরানের
ইরানের বেসামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা হলে ‘আরও অনেক বেশি বিধ্বংসী’ পাল্টা জবাব দেওয়া হবে বলে আজ সোমবার সতর্ক করেছে দেশটির কেন্দ্রীয় সামরিক কমান্ড।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবির টেলিগ্রাম চ্যানেলে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে খাতাম আল-আম্বিয়া কেন্দ্রীয় সদর দপ্তরের এক মুখপাত্র বলেন, ‘বেসামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলার পুনরাবৃত্তি হলে আমাদের আক্রমণাত্মক ও প্রতিশোধমূলক অভিযানের পরবর্তী ধাপগুলো হবে আরও অনেক বেশি বিধ্বংসী ও বিস্তৃত।’
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বেসামরিক অবকাঠামো ধ্বংসের হুমকি দিয়েছেন। হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে একটি চুক্তিতে আসতে তেহরানের ওপর চাপ সৃষ্টির লক্ষ্যে তিনি এই হুমকি দেন। এখন পাল্টা হুমকি দিল ইরান।
ইসরাইলের মধ্যাঞ্চল ও দক্ষিণাঞ্চলে বিকট বিস্ফোরণ
ইসরাইলের মধ্যাঞ্চল ও দক্ষিণাঞ্চলে বিকট বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া গেছে। জেরুসালেম, তেল আবিব এবং এলিয়াতে এসব বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।
ইসরাইলী সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদন বলছে, ইসরাইলের সামরিক বাহিনী ইরান থেকে নতুন দফায় আসা ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করার পর সতর্কতা সংকেত বাজানো হয়। এরপর এসব বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়।
ইসরাইলী সামরিক বাহিনীর সূত্রের বরাত দিয়ে টাইমস অব ইসরাইল বলেছে, এলিয়াতকে ইয়েমেন থেকে আসা ড্রোনের লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। ইসরাইলের আরুৎজ সেভা মিডিয়া জানিয়েছে, ইরান, লেবানন এবং ইয়েমেন থেকে সমন্বিত হামলা চালানো হয়েছে।