সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস) মো. রাশেদুল কাউসার ভূইয়া ও তার স্ত্রী মোসা. লুৎফুন নাহারের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে আদালত। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনে ঢাকার মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ জাকির হোসেন গালিব গতকাল মঙ্গলবার এ আদেশ দেন। দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম এ তথ্য দিয়েছেন।
দুদকের উপসহকারী পরিচালক মিজানুর রহমান ওই দুজনের দেশত্যাগের নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদনে বলেন, রাশেদুলের বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসায় জড়িত থাকা, ভারতে গরু পাচার করা এবং টেন্ডার ও বদলি বাণিজ্যসহ বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে শত কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগের অনুসন্ধান চলছে। এ অবস্থায় তিনি সপরিবারে বিদেশে পালাতে পারেন, যা ঠেকানো একান্ত প্রয়োজন।
রাশেদুল ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। কসবা উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যানও ছিলেন তিনি।
এস আলম গ্রুপ সংশ্লিষ্ট ১৪ জনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা
আলোচিত ব্যবসায়ী গোষ্ঠী এস আলম গ্রুপ সংশ্লিষ্ট ১৪ জনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে আদালত। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল মঙ্গলবার ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ জাকির হোসেন গালিব এ আদেশ দেন। নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়া ব্যক্তিরা হলেন- এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যানের ব্যক্তিগত সচিব মো. আকিজ উদ্দিন, সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ বি এম মোজাম্মেল হক, ব্যবসায়ী মো. নজরুল ইসলাম, মো. আলমাছ আলী, বেদার উল ইসলাম, মো. জসিম উদ্দিন, রোখসানা খাতুন, রবিয়া খাতুন, নাছির উদ্দিন, মুহাম্মদ সাইফুউদ্দিন, মো. গোলামুর রহমান, এস এম জামাল উদ্দিন, হাসমত আরা বেগম ও মুহাম্মদ সাইফু উদ্দিন।
দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তাদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞার আবেদনটি করেন দুদকের উপপরিচালক (মানিলন্ডারিং) তাহাসিন মুনাবীল হক। আবেদনে বলা হয়, এস আলম গ্রুপের স্বার্থসংশ্লিষ্ট ‘সত্তা’ ও ‘সত্তার’ সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে টিম গঠন করা হয়েছে।
দুদক বলছে, তারা বিশ্বস্ত সূত্রে জানতে পেরেছে, এস আলম গ্রুপের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা দেশত্যাগের চেষ্টা করছেন। তারা বিদেশে চলে গেলে অনুসন্ধান কাজ ব্যাহত হবে। তাই দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা প্রয়োজন।