কাশ্মীরে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতার দাবি ঘিরে নরেন্দ্র মোদি সরকারকে প্রশ্নবাণে বিদ্ধ করছে ভারতের বিরোধী দলগুলো। গত শনিবার বিকেলে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই এর লঙ্ঘনের অভিযোগ আনে ভারত। জম্মু, শ্রীনগর ও আরও কিছু এলাকায় বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেলেও গতকাল রোববার সকাল থেকে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত রয়েছে। এদিকে পারমাণবিক শক্তিধর প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে বিশ্বের প্রথম ড্রোন যুদ্ধের সাক্ষী হলো ভারত এবং পাকিস্তান। গত বৃহস্পতিবার ভারতের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে যে, পাকিস্তান ভারতীয় ভূখণ্ড ও ভারতনিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের তিনটি সামরিক ঘাঁটিতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। তবে ইসলামাবাদ এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। অন্যদিকে পাকিস্তান দাবি করেছে, তারা ১০২ টি ভারতীয় ড্রোন ভূপাতিত করেছে। দিল্লী কিন্তু এখনো প্রকাশ্যে এ বিষয়ে কিছু বলেনি। এছাড়াও ভারত আর পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধবিরতির ঘোষণা আসার পর গত শনিবার গভীর রাতে প্রথমবারের মতো পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়েছেন। তিনি এই যুদ্ধবিরতিকে ‘পাকিস্তানের ঐতিহাসিক বিজয়’ বলে দাবি করেছেন। সূত্র: আল-জাজিরা, এএফপি, বিবিসি, ডন।

এই পরিস্থিতিতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করেছেন এবং পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন বলে জানা গেছে। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মন্তব্য ঘিরে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো মোদি সরকারের উদ্দেশে কঠোর প্রশ্ন তুলেছে। ট্রাম্প দাবি করেছেন, যুদ্ধবিরতিতে যুক্তরাষ্ট্র মধ্যস্থতা করেছে এবং কাশ্মীর সংকটের স্থায়ী সমাধানে সহায়তারও ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। অথচ ভারত বরাবরই বলে এসেছে, পাকিস্তানের সঙ্গে সব দ্বিপাক্ষিক ইস্যু কেবল দুই দেশই আলোচনা করবে, তৃতীয় পক্ষের কোনো ভূমিকার জায়গা নেই। এ প্রেক্ষিতে বিরোধীরা জানতে চাইছে, ভারত কি এবার তৃতীয় পক্ষের মধ্যস্থতার প্রতি উন্মুক্ত অবস্থান নিয়েছে? তারা প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে সর্বদলীয় বৈঠকের আহ্বান জানিয়েছে, যাতে সরকার যুদ্ধবিরতির প্রেক্ষাপট এবং ভবিষ্যৎ কূটনৈতিক অবস্থান স্পষ্ট করতে পারে। এর আগে, শনিবার ভারত ও পাকিস্তান ‘পূর্ণ ও তাৎক্ষণিক যুদ্ধবিরতিতে’ সম্মত হয়েছে বলে ঘোষণা দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। ট্রুথ সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে এক পোস্টে তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় দীর্ঘ রাতজুড়ে আলোচনার পর আমি আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি, ভারত ও পাকিস্তান একটি পূর্ণ ও তাৎক্ষণিক যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে।

গতকাল রোববার ট্রুথ সোশ্যালের আরেক পোস্টে ট্রাম্প জানান, ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার যুদ্ধবিরতিতে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকায় তিনি গর্বিত। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানান, তিনি দুই দেশের সঙ্গে ‘বিপুল পরিমাণে’ বাণিজ্য বাড়াতে চান। এছাড়া কাশ্মীর সংকটের একটি দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের পথ খুঁজতে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত বলেও জানান ট্রাম্প। তবে ভারতের তথ্য মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, যুদ্ধবিরতি চুক্তিটি পুরোপুরি দুই দেশের মধ্যে সরাসরি আলোচনার ফল।

ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে প্রথম ড্রোন যুদ্ধ নতুন অধ্যায়ের সূচনা: বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, কয়েক দশকের পুরোনো দ্বন্দ্বে ‘টিট-ফর-ট্যাট’ হামলার এই নীতি একটি ‘বিপজ্জনক’ এবং নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে। কারণ উভয় পক্ষই অস্থিতিশীল সীমান্তে কেবল গোবারুদ নয়, ড্রোনের মতো মানবহীন অস্ত্রও ব্যবহার করেছে। ওয়াশিংটন ও অন্য বৈশ্বিক শক্তিগুলো যখন উভয়পক্ষকে ‘সংযম প্রদর্শনের’ আহ্বান জানাচ্ছে, তখন ড্রোন ব্যবহারের মাধ্যমে ভারত ও পাকিস্তান কিন্তু দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনার বৃদ্ধি একটা রিমোট (দূর থেকে নিয়ন্ত্রিত), নীরব ও অস্বীকারযোগ্য সংঘাতের নতুন অধ্যায়ের সূচনা করে। ইউএস নাভাল ওয়ার কলেজের অধ্যাপক জাহারা মাতিসেক বিবিসিকে বলেন, ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সংঘর্ষ একটা নতুন ড্রোন যুগে প্রবেশ করছে- যেখানে অদৃশ্য চোখ এবং আনম্যানড প্রিসিসন (মানবহীন পদ্ধতির নিখুঁত পরিমাপ) উত্তেজনা বা সংযম নির্ধারণ করতে পারে।

সুতরাং দক্ষিণ এশিয়ার প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ আকাশে, ড্রোনযুদ্ধে পারদর্শী পক্ষরা শুধু যুদ্ধক্ষেত্র তৈরি করবে না, তাকে আকারও দেবে। পাকিস্তান অভিযোগ তুলেছে, গত বুধবার সকাল থেকে পাকিস্তান ও পাকিস্তাননিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে ভারতীয় বিমান হামলা ও সীমান্তে গোলাগুলীতে ৩৬ জন নিহত ও ৫৭ জন আহত হয়েছেন। অন্যদিকে ভারতীয় সেনাবাহিনী পাকিস্তানের গোলাবর্ষণে অন্তত ১৬ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে। ভারত জোর দিয়ে বলেছে, পেহেলগাম হামলার জবাবে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে। এদিকে ইসলামাবাদ ২২ এপ্রিলের পেহেলগাম হামলার পেছনে তাদের কোনো ধরনের ভূমিকার কথা অস্বীকার করেছে।

লাহোর-ভিত্তিক প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক এজাজ হায়দার বিবিসিকে বলেন, পাকিস্তানের ড্রোন বহর বিস্তৃত এবং বৈচিত্র্যময়। এতে দেশীয় সিস্টেম রয়েছে আবার আমদানি করা সিস্টেমও আছে। তিনি বলেন, পাকিস্তানের ঝুলিতে থাকা ড্রোনের তালিকায় এক হাজারেরও বেশি ড্রোন রয়েছে, যার মধ্যে চীন, তুরস্ক এবং দেশীয় নির্মাতাদের মডেল রয়েছে। এই তালিকায় রয়েছে চীনা সিএইচ -৪, তুরস্কের বায়রাক্তার আকিনসি এবং পাকিস্তানের বুরাক ও শাহপার ড্রোন। পাকিস্তান তার আক্রমণ সক্ষমতা আরও বাড়িয়েছে এবং যুদ্ধাস্ত্র তৈরি করেছে। এজাজ হায়দার জানিয়েছেন, পাকিস্তান বিমান বাহিনী (পিএএফ) প্রায় এক দশক ধরে সক্রিয়ভাবে তাদের অভিযানে আনম্যান্ড সিস্টেমকে (মনুষ্যবিহীন সিস্টেমকে) অন্তর্ভুক্ত করছে। তিনি আরও বলেন, মূল ফোকাস হলো লয়াল উইংম্যান ড্রোনের বিকাশ। এটা মনুষ্যবাহী বিমানের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করার জন্য ডিজাইন করা ইউএভি। অধ্যাপক মাতিসেক মনে করেন, হারোপ এবং হেরন ড্রোন সরবরাহকারী ইসরাইলের প্রযুক্তিগত সহায়তা ভারতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। অন্যদিকে তুরস্ক ও চীনা প্ল্যাটফর্মের ওপর পাকিস্তানের নির্ভরতা চলমান অস্ত্র প্রতিযোগিতাকে তুলে ধরে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভারত এবং পাকিস্তানের মধ্যে সাম্প্রতিক ড্রোন বিনিময়ের মাধ্যমে তাদের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। কিন্তু রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাতে যে ধরনের ড্রোনকেন্দ্রিক যুদ্ধ নজরে এসেছে, তার সঙ্গে এর স্পষ্টতই পার্থক্য রয়েছে। সেখানে ড্রোন সামরিক অভিযানের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। রাশিয়া-ইউক্রেন উভয় পক্ষকেই নজরদারি, লক্ষ্যবস্তু এবং সরাসরি আক্রমণের জন্য হাজার হাজার ইউএভি মোতায়েন করতে দেখা গেছে। ভারতের প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক মনোজ যোশী বলেছেন, যুদ্ধবিমান বা ভারী ক্ষেপণাস্ত্রের পরিবর্তে ড্রোন মোতায়েন করা নিম্নস্তরের সামরিক বিকল্পের প্রতিনিধিত্ব করে। ড্রোন মনুষ্যবাহী বিমানের চেয়ে কম সশস্ত্র। তাই এক অর্থে, এটা এক ধরনের সংযত পদক্ষেপ। তবে এটা যদি নিছক বিস্তৃত বিমান অভিযানের পূর্বপ্রস্তুতি হয়, তাহলে কিন্তু হিসেব-নিকাশ পুরোপুরি পাল্টে যাবে।

যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ ভারতের, অস্বীকার করেছে পাকিস্তান: ভারত এবং পাকিস্তানের মধ্যে যে যুদ্ধবিরতির সমঝোতা হয়েছে তা গত কয়েক ঘণ্টার মধ্যে পাকিস্তান বার বার লঙ্ঘন করেছে বলে অভিযোগ তুলেছে দিল্লী। ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিশ্রি শনিবার গভীর রাতে দিল্লীতে এক জরুরি সাংবাদিক সম্মেলনে এই অভিযোগ করেন। খবর বিবিসির। ভারত এই যুদ্ধবিরতির লঙ্ঘনকে খুব ‘গুরুত্বের সঙ্গে’ নিয়েছে এবং ভারতীয় সেনারা এর ‘যথোচিত জবাব’ দিচ্ছে বলেও জানান তিনি। এই যুদ্ধবিরতির কথা প্রথম জানান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শনিবার ভারতীয় সময় সন্ধ্যা ৫টা ৩৫ মিনিটের দিকে তিনি প্রথম এই ঘোষণা দেন। এর আধঘণ্টা পর ভারত এই যুদ্ধবিরতির কথা নিশ্চিত করে। তবে ঘণ্টা দুয়েকের মধ্যেই ভারতনিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের নানা জায়গা থেকে এবং ভারতের পশ্চিম সীমান্ত বরাবর বিভিন্ন জায়গা থেকে বিস্ফোরণের আওয়াজ পাওয়া গেছে। ভারতনিয়ন্ত্রিত জম্মু এবং কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাহ সামাজিক মাধ্যমে এক পোস্টে বলেন, যুদ্ধবিরতি তো নেই মনে হচ্ছে! এরপর দিল্লীতে রাত ১১টার দিকে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সংবাদ সম্মেলন করে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ আনে। এটি ছিল শনিবার ভারতের তৃতীয় সংবাদ সম্মেলন। তবে পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আত্তাউল্লাহ তারার ভারতের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির সমঝোতা লঙ্ঘনের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। পাকিস্তানের একটি টেলিভিশন চ্যানেলকে তিনি বলেন, পাকিস্তান যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করতে পারে না এবং তারা তা করার কথা ভাবেওনি। তিনি আরও বলেন, পাকিস্তানে উৎসবের পরিবেশ বিরাজ করছে। আত্তাউল্লাহ তারার বলেন, পাকিস্তান যেভাবে প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে এটা আমাদের জন্য একটা বিজয়। ভারতীয় কর্তৃপক্ষের অভিযোগ ভিত্তিহীন ও বানোয়াট বলেও দাবি করেন তিনি।

যুদ্ধবিরতিকে ঐতিহাসিক বিজয় বললেন শাহবাজ শরিফ: পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ জাতির উদ্দেশে ভাষণে বলেন, এই ‘যুদ্ধবিরতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা’ পালনের জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশংসা করেছেন এবং সৌদি আরব, চীন, তুরস্ক, কাতার ও যুক্তরাজ্যসহ অন্যান্য দেশকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। ওই ভাষণে তিনি চীনকে ‘অত্যন্ত কাছের, খুব বিশ্বাসযোগ্য’ এক বন্ধু দেশ বলে উল্লেখ করে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র এই যুদ্ধবিরতিতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। শাহবাজ শরিফ বলেন, আমরা শান্তিকামী রাষ্ট্র। পাকিস্তানে কোটি কোটি মানুষের বসবাস। প্রত্যেকের জন্য লাভজনক হবে ভেবেই আমরা যুদ্ধবিরতির এই পদক্ষেপ নিয়েছি। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী দাবি করেছেন যে, তার দেশ একটি ‘ঐতিহাসিক বিজয়’ পেয়েছে। এজন্য তিনি সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী এবং সশস্ত্র বাহিনীকে এক এক করে নাম উল্লেখ করে ধন্যবাদ দিয়েছেন। তার কথায়, দেশের মূলনীতিগুলো তুলে ধরতে সক্ষম হয়েছে তারা।

ভাষণের শুরুতেই শাহবাজ শরিফ বলেন, কেউ যদি স্বাধীনতাকে চ্যালেঞ্জ করে তাহলে আমাদের প্রতিরোধের জন্য যা করতে হয় করব। তার দেশের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ভিত্তিহীন অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তেরও দাবি করেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেছেন, ড্রোন দিয়ে পাকিস্তানের ওপর হামলা হয়েছে, মসজিদ ধ্বংস করা হয়েছে এবং নিরীহ মানুষের প্রাণ কেড়ে নেওয়া হয়েছে। তবে তার ভাষণ শুরুর আগে ভারতের পররাষ্ট্র সচিব পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ‘বার বার যুদ্ধবিরতির সমঝোতা লঙ্ঘনের’ যে অভিযাগ তুলেছেন সে ব্যাপারে শাহবাজ শরিফ কোনো মন্তব্য করেননি। বরং যুদ্ধবিরতির চুক্তি সবার কল্যাণের জন্য করা হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। এছাড়া পানিবণ্টন ও কাশ্মীরসহ বিতর্কিত বিষয়ে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান সম্ভব বলেও আশা প্রকাশ করেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী।