• টিকার কর্মসূচিতে বিগত সরকার অবহেলা করেছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

দেশে হাম পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হামে আক্রান্ত হয়ে ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার সকাল ৮টা থেকে গতকাল রোববার সকাল ৮টা পর্যন্ত এসব মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, মৃতদের মধ্যে ২ জনের হামে আক্রান্ত হওয়া ল্যাব পরীক্ষায় নিশ্চিত হয়েছে। বাকি ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে হামের উপসর্গ নিয়ে। ১৫ মার্চ ২০২৬ থেকে এ পর্যন্ত মোট নিশ্চিত হামে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৭ জনে। একই সময়ে সন্দেহজনক হামে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে ১১৩ জনে পৌঁছেছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে নতুন করে ৯৭৪ জনকে সন্দেহজনক হাম রোগী হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা বিভাগে সর্বোচ্চ ৩৯২ জন এবং চট্টগ্রাম বিভাগে ১৯৫ জন রয়েছে। এ ছাড়া রাজশাহীতে ১২৪ জন, খুলনায় ৮২ জন, বরিশাল ও ময়মনসিংহে ৪৯ জন করে, সিলেটে ৪৬ জন এবং রংপুরে ৩৭ জন নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে।

হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যাও বেড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ৬৫৪ জন নতুন সন্দেহজনক রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। একই সময়ে ৪৯৩ জন রোগী সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত মোট ৫ হাজার ৪৭০ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন, যাদের মধ্যে ৩ হাজার ৩৮০ জন সুস্থ হয়েছেন।

ল্যাব পরীক্ষায় গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৫৪ জনের হামে আক্রান্ত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে। এ নিয়ে মোট নিশ্চিত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯২৯ জনে। নতুন নিশ্চিত রোগীদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ৩৮ জন, রাজশাহীতে ১০ জন, বরিশালে ৩ জন, ময়মনসিংহে ১ জন এবং সিলেটে ১ জন রয়েছে। চট্টগ্রাম, খুলনা ও রংপুর বিভাগে এ সময়ে কোনো নতুন নিশ্চিত রোগী শনাক্ত হয়নি।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত নিশ্চিত মৃত্যুর মধ্যে ঢাকা বিভাগে ৫ জন এবং রাজশাহীতে ২ জন রয়েছে। সন্দেহজনক মৃত্যুর মধ্যে ঢাকা বিভাগে ৪০ জন, রাজশাহীতে ৫৫ জন, চট্টগ্রামে ১০ জন এবং খুলনায় ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র নিয়মিত নজরদারি ও তথ্য হালনাগাদ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

এদিকে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, প্রতি চার বছর অন্তর হাম–রুবেলার টিকা দেওয়ার কর্মসূচি থাকলেও বিগত সরকার এ বিষয়ে অবহেলা করেছে। ২০২০ সালে শিশুদের জন্য হাম–রুবেলার গতকাল রোববার ঢাকার নবাবগঞ্জে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চত্বরে হাম–রুবেলার জাতীয় টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এ কথা বলেন।

সারা দেশের ১৮ জেলার ৩০ উপজেলায় গতকাল একযোগে এই টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়। মন্ত্রী নবাবগঞ্জ থেকে এর উদ্বোধন ঘোষণা করেন। নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ কর্মকর্তা সাখাওয়াত হোসেনের সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন ইউনিসেফের বাংলাদেশ প্রতিনিধি রানা ফ্লাওয়ার্স, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) বাংলাদেশ প্রতিনিধি আহমেদ জামশেদ মোহামেদ, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক প্রভাত চন্দ্র চৌধুরী প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, কয়েক বছর বিলম্ব হওয়ায় হাম–রুবেলায় কিছু শিশু মারা গেছে। এটা গত সরকারের ভুল ছিল। তারা চার বছর পরেও এ টিকা দেয়নি। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই স্বাস্থ্য খাতে শিশুদের বিষয়ে অগ্রাধিকার দিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিশেষ উদ্যোগ নেন। পরবর্তী সময় ইউনিসেফসহ কয়েকটি সংস্থার সহায়তায় এই ভ্যাকসিন সংগ্রহ করা সম্ভব হয়েছে। সরকার অধিক ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা বিবেচনা করে প্রথমে ১৮ জেলার ৩০ উপজেলায় শিশুদের জন্য এই ভ্যাকসিনের ব্যবস্থা করে। ১২ এপ্রিল ঢাকার দুই সিটি, ময়মনসিংহ ও বরিশালে পরবর্তী ধাপের টিকা দেওয়া হবে। আগামী ৩ মে সারা দেশে এ টিকা সরবরাহ করা হবে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, হাম–রুবেলা যাতে বাংলাদেশে কোনো মারাত্মক আকার ধারণ করতে না পারে, সে বিষয়ে সরকার ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সজাগ আছে। যেখানেই শিশুরা আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা, সেখানে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে।

এ সময় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ক্যাম্পাসে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন মন্ত্রী। এরপর তিনি বক্সনগর ইউনিয়নের বর্ধনপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে টিকাদানকেন্দ্র ঘুরে দেখে সবাইকে নির্ভয়ে শিশুদের জন্য হামের টিকা গ্রহণের কথা বলেন। তিনি বলেন, সারা দেশের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রের মাধ্যমে অবহেলিত জনগোষ্ঠীর জন্য চিকিৎসাসেবা আরও সহজ করতে সরকার কাজ করছে। মাঠপর্যায়ে দায়িত্বরত সবাইকে আরও আন্তরিক হয়ে মানুষের জন্য কাজ করতে হবে।

স্টাফ রিপোর্টার, গাজীপুর জানায়, গাজীপুরে হাম ও রুবেলা প্রতিরোধে জরুরি টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে শিশু স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বড় উদ্যোগ নেওয়া হলেও, একই দিনে হাসপাতালের সেবার মান নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে বিক্ষোভ করেছেন রোগীর স্বজন ও স্থানীয়রা।

সকালে সদর উপজেলার ভাওয়াল মির্জাপুর ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। তিনি বলেন, দেশের প্রতিটি শিশুকে টিকার আওতায় এনে নিরাপদ ভবিষ্যৎ গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য। টিকার কোনো ঘাটতি থাকবে না এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার সহযোগিতায় কার্যক্রম আরও জোরদার করা হচ্ছে।

অনুষ্ঠান শেষে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে প্রতিমন্ত্রী গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পরিদর্শনে গেলে হাসপাতালের প্রবেশমুখে শতাধিক রোগীর স্বজন ও স্থানীয়দের ব্যানারে বিক্ষোভের মুখে পড়েন। ‘সচেতন গাজীপুরবাসী’ ব্যানারে তারা প্রতিমন্ত্রীর গাড়ি থামিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে তাদের দাবি তুলে ধরেন।

বিক্ষোভকারীরা হাসপাতালের বিভিন্ন অনিয়ম ও সেবার মান নিয়ে অভিযোগ তুলে ধরেন। তাদের বক্তব্যে উঠে আসে-হাসপাতালে চিকিৎসকদের সময়মতো উপস্থিত না থাকা, রোগীদের যথাযথ সেবা না পাওয়া, অনেক রোগীকে দ্রুত ঢাকা রেফার করার প্রবণতা, ওয়ার্ডের অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ এবং প্রয়োজনীয় সেবাসামগ্রীর ঘাটতির বিষয়। এসব সমস্যার সমাধান এবং হাসপাতালের সার্বিক সেবার মানোন্নয়নের দাবিতে তারা পরিচালকের অপসারণের দাবিও জানান।

পরিস্থিতি শান্তিপূর্ণ থাকায় প্রশাসনের তৎপরতায় কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। বিক্ষোভকারীদের বক্তব্য মনোযোগ দিয়ে শোনেন প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত। তিনি বলেন, উত্থাপিত অভিযোগগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় নেওয়া হবে এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে যথাযথ তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে সরকার সর্বদা আন্তরিক বলেও তিনি আশ্বস্ত করেন।

এদিকে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক মহল থেকেও বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখার আহ্বান জানানো হয়েছে। জেলা ড্যাবের সভাপতি ডা. আলী আকবর পলান বলেন, অভিযোগগুলো তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হলে স্বাস্থ্যসেবার মান আরও উন্নত হবে।

অন্যদিকে, জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গাজীপুরে ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী প্রায় ২৮ হাজার শিশুকে হাম-রুবেলা টিকা প্রদানের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, যা আগামী ১৫ দিনব্যাপী জেলার বিভিন্ন এলাকায় চলবে।

এদিকে, গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক মোঃ আমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত হাম আক্রান্ত হয়ে মোট ৮৯ জন শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে এবং এর মধ্যে ৪৯ জন চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১৬ জন শিশু ভর্তি হয়েছে এবং ২০ জনকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। সর্বশেষ হিসেবে বর্তমানে ৪৬ জন শিশু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। তিনি জানান, হঠাৎ করে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় স্বাস্থ্য বিভাগ পরিস্থিতি মোকাবেলায় টিকাদান কার্যক্রম জোরদার করেছে।

স্বাস্থ্য বিভাগ আশা করছে, একদিকে টিকাদান কার্যক্রম জোরদার করা এবং অন্যদিকে হাসপাতাল ব্যবস্থাপনায় প্রয়োজনীয় উন্নয়নমূলক পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে গাজীপুরে স্বাস্থ্যসেবা খাতে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।

খুলনা ব্যুরো

খুলনা বিভাগের ১০ জেলায় প্রতিদিনই আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি শিশু রোগীর সংখ্যা। এরমধ্যে কুষ্টিয়া, যশোর ও খুলনা হটস্পটে পরিণত হয়েছে। এখন পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে দুইজনের। যার মধ্যে ২ জনই কুষ্টিয়ার। শনিবার বিকেল পর্যন্ত বিভাগের হাসপাতালগুলোতে ভর্তি রোগীর সংখ্যা তিনশো ছুঁই ছুঁই। আরও বাড়ার আশঙ্কা করছেন চিকিৎসকরা।

খুলনা বিভাগীয় স্বা¯’্য পরিচালকের দপ্তর থেকে পাওয়া তথ্যমতে, প্রাদুর্ভাব শুরু হওয়া থেকে শনিবার (৪ এপ্রিল) বিকেল পর্যন্ত বিভাগের ১০ জেলায় ২৯৯ শিশু হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। বিভাগের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ অব¯’া কুষ্টিয়া জেলার। কুষ্টিয়ায় হামের উপসর্গ নিয়ে সর্বো”চ ১০৩ শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে আর মারা গেছে দুইজন।

এছাড়া খুলনায় ৫৮ শিশু, যশোরে ৫৯, বাগেরহাটে ৬, চুয়াডাঙ্গায় ৬, ঝিনাইদহে ১৮, মাগুরায় ১৭, মেহেরপুরে ৪, নড়াইলে ১২ এবং সাতক্ষীরায় ১৬ জন চিকিৎসাধীন রয়েছে।

এদিকে, শনিবার হামের উপসর্গ নিয়ে নতুন করে বিভাগের হাসপাতালগুলোতে ভর্তি হয়েছে ৫৬ শিশু। এরমধ্যে সাতক্ষীরায় ১৩, কুষ্টিয়ায় ১২, খুলনায় ৬, যশোরে ৫, বাগেরহাটে ২, চুয়াডাঙ্গায় ৩, ঝিনাইদহে ৩, মাগুরায় ৫, মেহেরপুরে ২ ও নড়াইলে ৫ নতুন করে ভর্তি হয়েছে।

খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু বিভাগের অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান সৈয়েদা রুখশানা পারভীন বলেন, হাম অত্যন্ত সংক্রামক একটি ভাইরাসজনিত রোগ। একজন আক্রান্ত শিশু হাঁচি-কাশির মাধ্যমে সহজেই অন্যদের মধ্যে সংক্রমণ ছড়িয়ে দিতে পারে। বিশেষ করে যেসব শিশু নিয়মিত টিকা পায়নি বা অপুষ্টিতে ভুগছে, তাদের ঝুঁকি বেশি।

তিনি বলেন, খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ অন্যান্য হাসপাতালে হামসহ সংক্রামক রোগে আক্রান্তদের ভর্তি করা হয় না। কিš‘ এই রোগের গুরুত্ব বিবেচনায় ও খুলনায় যে সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালটি রয়েছে তার সক্ষমতা বিবেচনায় নিয়ে আমাদের এখানে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় একটি আইসোলেশন সেন্টার তৈরি করে শিশুদের রাখা হয়েছে। এই মুহূর্তে সরকারের ব্যাপকভাবে একটি ভ্যাক্সিনেশন ব্যব¯’া চালু করা দরকার উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পক্ষে এই মুহূর্তে ব্যাপকহারে হামের শিশু ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া কঠিন কাজ। কারণ এমনিতে এই হাসপাতালে ৪৮ বেডের বিপরীতে ২ শতাধিক শিশু বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে চিকিসাধীন রয়েছে।