বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এমপি রাজধানী ঢাকার মিরপুরের ৬০ ফিট রাস্তা সংলগ্ন মনিপুর গার্লস হাইস্কুল মাঠে সকাল ৮টায় পবিত্র ঈদুল ফিতরের সালাত আদায় করেন। সালাত আদায় শেষে তিনি সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা এবং কুশল বিনিময় করেন।

কূটনীতিকদের সঙ্গে

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এমপি রাজধানী ঢাকার ২৯ মিন্টো রোডে তাঁর সরকারি বাসভবনে ঢাকাস্থ কূটনৈতিক মিশনের কূটনীতিকগণের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা এবং কুশল বিনিময় করেন। শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানটি অত্যন্ত আন্তরিক ও হৃদ্যতাপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় তিনি আমেরিকা, যুক্তরাজ্য, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, চীন, তুরস্ক, জার্মান, জাপান, কোরিয়া, ইটালি, ইন্ডিয়া, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, নেদারল্যান্ডস, নেপাল, ভুটান, বেলজিয়াম, সিঙ্গাপুর, মায়ানমার, থাইল্যান্ড, সৌদি আরব, পাকিস্তান, ইরান, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, মিশর, প্যালেস্টাইন, আলজেরিয়া, কসোভো, আলবেনিয়া, ব্রুনেই, মালদ্বীপ, শ্রীলংকা প্রভৃতি দেশের কূটনীতিকবৃন্দ এবং ইউএনডিপি, ইউনেস্কো, ইউনিসেফ-সহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা ও কুশল বিনিময় করেন। শুভেচ্ছা ও কুশল বিনিময় শেষে সম্মানিত মেহমানদেরকে বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী খাবার পরিবেশনের মাধ্যমে আপ্যায়ন করা হয়।

শুভেচ্ছা বিনিময় উপলক্ষে বাসভবন চত্বরে বিশাল প্যান্ডেল স্থাপন এবং গোটা এলাকায় ব্যাপক সাজসজ্জ্বা করা হয়। একে একে বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকেরা সেখানে এসে জামায়াত আমীরের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। কূটনীতিক ছাড়াও প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক এমপিসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিরা এ সময় শুভেচ্ছা বিনিময় করতে আসেন।

আমীরে জামায়াত ছাড়াও এ অনুষ্ঠানে দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মোবারক হোসাইন ও অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ, ঢাকা-৪ আসনের এমপি জয়নুল আবেদীন, ঢাকা-৫ আসনের এমপি কামাল হোসাইন, ঢাকা-১২ আসনের এমপি সাইফুল আলম খান মিলন, ঢাকা-১৪ আসনের এমপি ও জামায়াত আমীরের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা ব্যারিস্টার আরমান বিন কাশেম, ঢাকা-১৬ আসনের এমপি কর্নেল (অব.) আব্দুল বাতেন, ঢাকা মহানগর উত্তরের আমীর মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন, নায়েবে আমীর আব্দুর রহমান মুসা, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের নায়েবে আমীর অ্যাডভোকেট হেলাল উদ্দিন, সহকারী সেক্রেটারি ড. আব্দুল মান্নান, সহকারী সেক্রেটারি ডা. ফখরুদ্দিন মানিক ও মাহফুজুর রহমান, শামীম বিন সাঈদী, মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। এদিন বিকেল ৩টা থেকে বিকেল ৪:৩০টা পর্যন্ত রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা এবং কুশল বিনিময় করেন।

সিলেটে সাংবাদিকদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময়

সিলেট ব্যুরো: জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ফ্যাসিবাদের একটি বড় অংশ বিদায় নিলেও এর কালো ছায়া এখনো রয়ে গেছে। জাতীয় নির্বাচন শেষে রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর দেশ ঘুরে দাঁড়ালেও সংকট এখনো কাটেনি। সমাজে অনিয়ম, বিশৃঙ্খলা ও প্রতিহিংসার প্রবণতা বিদ্যমান।

তিনি আরও বলেন, দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উদ্বেগজনক এবং বিভিন্ন স্থানে সহিংসতার ঘটনা ঘটছে, যা দুঃখজনক। রাজনীতিবিদদের কথার সঙ্গে কাজের মিল না থাকায় মানুষের মধ্যে রাজনীতির প্রতি আস্থা কমে গেছে। একটি জবাবদিহিমূলক ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনে রাজনৈতিক দলগুলোর দায়িত্বশীল আচরণ জরুরি।

রোববার (২২ মার্চ) সকালে সার্কিট হাউজে সিলেটে কর্মরত সাংবাদিকদের সাথে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় ও মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন। মতবিনিময় সভায় সিলেটে কর্মরত প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন মিডিয়ায় কর্মরত বিপুলসংখ্যক সাংবাদিক অংশ নেন। এসময় সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিরোধী দলীয় নেতা ও আমীরে জামায়াত ডা: শফিকুর রহমান।

গণভোট ও সংস্কার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জনগণ পরিবর্তনের পক্ষে মত দিলেও তা পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়ন হয়নি। এ অবস্থায় মানুষের মধ্যে আবারও অনাস্থা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ঈদযাত্রায় অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, এধরনের অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। জনগণের অর্থ ও স্বার্থ রক্ষায় সরকারকে আরও দায়িত্বশীল হতে হবে। আমরা বিরোধী দল হিসেবে সংসদের ভেতরে ও বাইরে গঠনমূলক ভূমিকা পালন করবো। তবে জনগণের অধিকার রক্ষায় কোনো আপস করবো না।

নতুন ও ইতিবাচক ধারার রাজনীতি তৈরি করতে গত নির্বাচন বর্জন করেননি জানিয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, অতীতের ধারায় আমরা নির্বাচনের সাথে সাথেই তা প্রত্যাখ্যান করিনি। আমরা বলেছি, বুকে চাপ নিয়ে নির্বাচন মেনে নিয়েছি। তারপরও টিআইবি, সুজনের মতো সংগঠন নির্বাচন নিয়ে তাদের মতামত তুলে ধরেছে। আমরা মনে করি গত নির্বাচন কেমন হয়েছে তা বুঝার জন্য এসব প্রতিবেদন সহায়ক হবে।

পৃথিবীর অনেক দেশে সংবিধান পরিবর্তন হয় উল্লেখ করে শফিকুর রহমান বলেন, সংবিধান পরিবর্তন ও সংশোধন জাতির দাবি। আমাদের প্রত্যাশা সরকার এই দাবি দ্রুত পূরণ করবে।

এসময় তিনি আরও বলেন, গত নির্বাচনে ৬৫ শতাংশ মানুষ ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়েছেন, তারা সংস্কার চান। কিন্তু মানুষের সেই প্রত্যাশা বাস্তবায়ন হচ্ছে না। গণভোটের এক অংশ বাস্তবায়ন হলেও, আরেক অংশ এখন পর্যন্ত উপেক্ষিত রয়ে গেছে।

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবউদ্দিন প্রসঙ্গে আমীরে জামায়াত বলেন, এই রাষ্ট্রপতি কার্যত ফ্যাসিবাদের সাথে সংশ্লিষ্ট ছিলেন। তিনি সংসদে ভাষণ দেবেন তা আমরা চাইনি। রাষ্ট্রপতির প্রতিষ্ঠানের সাথে আমাদের আপত্তি নেই, তবে ব্যক্তি সম্পর্কে আপত্তি আছে। এ বিষয় থেকে মুক্তি দিতে সরকারি দলের কাছে অনুরোধ জানান ডা. শফিকুর রহমান।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ঢাকায় থেকে সড়কপথে সিলেটে আসার সময় বিভিন্ন স্থানে যখনই ভাঙায় পড়েছি তখনি বলেছি ‘ওয়েলকাম টু সিলেট’ কিন্তু বাস্তবে সড়কসহ নানাখাতে উন্নয়নের অভাব স্পষ্ট। তিনি বলেন, শুধু সড়ক নয়, সবখাতেই সিলেটের যেটুকু প্রাপ্য, সেটুকু নিশ্চিত করতে হবে। আমরা অতিরিক্ত কিছু চাই না, ন্যায্য অধিকারটাই চাই।

তিনি আরও বলেন, সিলেটের উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হলে সরকারের পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন প্রয়োজন। বিরোধী দল হিসেবে তাঁরা জনগণের পক্ষে দাবি তুলবেন, তবে বাস্তবায়নের দায়িত্ব সরকারের।

স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তৃণমূল পর্যায়ে গণতন্ত্র শক্তিশালী করতে দ্রুত স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রয়োজন। জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমেই জনগণের কাজ হওয়া উচিত, যাতে জবাবদিহি নিশ্চিত হয়।

মতবিনিময় সভায় তিনি সিলেটের সাংবাদিক সমাজের ঐতিহ্য ও সামাজিক সহমর্মিতার প্রশংসা করেন এবং বলেন, সাংবাদিকদের দায়িত্বশীল ভূমিকা সমাজকে সঠিক পথে পরিচালিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের সদস্য ও সিলেট মহানগরী আমীর মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও সিলেট জেলা আমীর মাওলানা হাবিবুর রহমান, সিলেট অঞ্চল টিম সদস্য হাফিজ আব্দুল হাই হারুন, মহানগর নায়েবে আমীর হাফিজ মিফতাহুদ্দীন আহমদ ও ড. নূরুল ইসলাম বাবুল, মহানগর সেক্রেটারি মোঃ শাহজাহান আলী, জেলা সেক্রেটারি জয়নাল আবেদীন, মহানগর সহকারী সেক্রেটারি জাহেদুর রহমান চৌধুরী ও মাওলানা ইসলাম উদ্দিন এবং সিলেট মহানগর ছাত্রশিবির সেক্রেটারি এটিএম ফাহিম প্রমুখ।

এদিকে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় শেষে আমীরে জামায়াত ডা: শফিকুর রহমান সদ্য প্রয়াত দক্ষিণ সুরমা থানা আমীর মরহুম মাওলানা মুজিবুর রহমানের কবর জিয়ারত করেন এবং পরিবারের সদস্যদের সাথে সাক্ষাৎ করেন।

সিলেট মহানগর জামায়াতের ঈদ পূনর্মিলনী অনুষ্ঠান

জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এমপি বলেছেন, আজ কথায় কথায় সংবিধানের দোহাই দেয়া হয়। অথচ সংবিধানে ২০২৬ সালের নির্বাচন উল্লেখ ছিলনা, একটি দল সরকার গঠন করবে আবার একটি দল প্রধান বিরোধী দল হবে সেটিও সংবিধানে ছিলনা। সেটা সম্ভব হয়েছে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের কারণে। মনে রাখতে সংবিধানের জন্য জনগণ না বরং জনগণের জন্যই সংবিধান। গণঅভ্যুত্থানের আকাক্সক্ষা পূরণে জুলাই সনদের বাস্তবায়নের বিকল্প নেই।

তিনি বলেন, আমাদের দেশে অনেক সম্পদ রয়েছে। শুধুমাত্র চরিত্রের সম্পদের কারণে আমরা কাক্সিক্ষত বাংলাদেশ পাচ্ছিনা। অথচ আমাদের দেশের সন্তানেরা পুরো বিশে^ মেধার স্বাক্ষর রেখে চলেছেন। আমরা মেধাবীদের জাতির নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠিত করতে চাই।

তিনি গত রোববার বিকেলে নগরীর দক্ষিণ সুরমায় একটি কমিউনিটি সেন্টারে সিলেট মহানগর জামায়াত আয়োজিত ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সিলেট মহানগরী আমীর মুহাম্মদ ফখরুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং মহানগর সেক্রেটারি মোহাম্মদ শাহজাহান আলীর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় জামায়াতের মিডিয়া সেলের প্রধান এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও সিলেট জেলা আমীর মাওলানা হাবিবুর রহমান।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা: শফিকুর রহমান এমপি বলেন, গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে আমার বন্ধুপ্রতিম রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ বলতেন নির্বাচিত সরকার ছাড়া দেশে স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। কিন্তু নির্বাচন হল, রাজনৈতিক দলও সরকারে গেলেও কাক্সিক্ষত স্থিতিশীলতার দেখা মিলেনি। সমাজ থেকে অনিয়ম, বিশৃঙ্খলা ও প্রতিহিংসা দুর হয়নি। নির্বাচিত সরকারের আমালে মব সৃষ্টি করে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরকে বিদায় হতে হয়েছে। প্রথমবারের মতো দলীয় বিবেচনায় গার্মেন্টস ব্যবসায়ীকে গভর্ণরের পদে বসানো হয়েছে। দেড় বছর কৃতিত্বে সাথে দায়িত্ব পালনকারী বিশ^বিদ্যালয়ের ভিসি-প্রোভিসিদেরকে বিদায় করতে বাধ্য করে সেই পদে দলীয় বিবেচনায় নিয়োগ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্খা পরিপন্থি। ঈদ যাত্রায় অতিরিক্ত ভাড়া আদায় ও চরম অব্যবস্থাপনা দেখে জাতি হতাশ হয়েছে।

তিনি বলেন, সরকারি দলকে মনে রাখতে হবে দীর্ঘ ১৫ বছর আমাদের সাথে আপনারাও মজলুম ছিলেন। সংস্কার প্রস্তাবকে এড়িয়ে যাওয়ার ষড়যন্ত্র থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানাচ্ছি। আমরা বিরোধী দল হিসেবে দায়িত্বশীল ভুমিকা পালন করবো। জনগণের প্রত্যাশা পূরণকে আমরা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিবো। নির্বাচনী ফলাফলকে আমরা মেনে নিয়েছি এর অর্থ এই নয় যে, নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে। ইতোমধ্যে নির্বাচন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের বিষয়টি জাতির সামনে তুলে ধরা হয়েছে।

জামায়াত আমীর বলেন, অনেকেই ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনের দোহাই দিয়ে উধোর পিন্ডি বুধোর ঘাড়ে চাপাতে চান। অথচ ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনের কারণে আমাদের দলকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। নিবন্ধন ও প্রতীক কেড়ে নেয়া হয়েছে। একের পর এক শীর্ষ নেতৃবৃন্দকে ফাঁসি দেয়া হয়েছে। কিন্তু আমরা কোন শক্তির সাথে আপোস করিনি। মাথা উচু করে রাজনীতি করেছি। আমাদের এই পথ অব্যাহত থাকবে। ইনশাআল্লাহ।

তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদের রাজনীতি এই দেশে আর চলবেনা। কারণ জনগণ পরিবর্তন চায় বলেই গণভোটে রায় দিয়েছে। সেই রায় বাস্তবায়ন করতেই হবে। আমাদেরকে হতাশ হওয়া চলবেনা। কারণ মানবিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে আমাদের পথচলা থামবেনা। এবার হয়নি আল্লাহ চাইলে পরবর্তীতে জনতার বিজয় হবে। সেই লক্ষ্যে আমাদের কাজ চালিয়ে যেতে হবে।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন- সিলেট অঞ্চল টীম সদস্য হাফিজ আব্দুল হাই হারুন, মহানগর নায়েবে আমীর হাফিজ মিফতাহুদ্দীন আহমদ ও ড. নুরুল ইসলাম বাবুল, জেলা সেক্রেটারি জয়নাল আবেদীন, মহানগর সহকারী সেক্রেটারী এডভোকেট মোঃ আব্দুর রব, জাহেদুর রহমান চৌধুরী ও মাওলানা ইসলাম উদ্দিন এবং সিলেট মহানগর ছাত্রশিবির সভাপতি শহীদুল ইসলাম সাজু।