‘তন্ত্র-মন্ত্র’ দিয়ে বা জালিয়াতির মাধ্যমে যারা মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকায় নাম লিখিয়েছেন এবং অবৈধ সুবিধা নিয়েছেন, খুব শিগগিরই তাদের চিহ্নিত করে জাতির সামনে উপস্থাপন করা হবে বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আজম খান। একইসঙ্গে বিগত সরকারের আমলে বাদ পড়া ও হয়রানির শিকার প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানান তিনি।
গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সরকার দলীয় সংসদ সদস্য জয়নুল আবেদীন ও বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের করা সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা জানান। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম। সংসদে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রী বলেন, আমরা মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে কাজ করছি। আশা করি খুব অল্প সময়ের মধ্যেই এই ধরনের অমুক্তিযোদ্ধা, যারা ‘তন্ত্র-মন্ত্র’ দিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকায় নাম লিখিয়েছেন, তাদের সন্তানদের চাকরি দিয়েছেন এবং নিজেরাও বিভিন্নভাবে অবৈধভাবে লাভবান হয়েছেনÑআমরা এই বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করছি। শিগগিরই এর একটি পরিসংখ্যান তুলে ধরার আশ্বাস দিয়ে মন্ত্রী বলেন, মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয় আশা করে, অল্প দিনের মধ্যেই ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাদের সুনির্দিষ্ট সংখ্যা আমরা বলতে পারব এবং জাতির সামনে তা উপস্থাপন করতে পারব। এ সময় বিগত সরকারের আমলের অনিয়মের কথা স্বীকার করে মন্ত্রী আরও বলেন, এ বিষয়ে আমাদের কাছে আরও অনেক অভিযোগ এসেছে। সংসদ সদস্যরা যে বিষয়টি উত্থাপন করেছেন, সেটি নিয়েও আমাদের মন্ত্রণালয় কাজ করছে। আমরা ইতোপূর্বেই অভিযোগ পেয়েছি এবং জানি যে, বিগত সরকারের সময়ে অনেক মুক্তিযোদ্ধার ভাতা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল, তাদের সনদ স্থগিত করা হয়েছিল এবং প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের হয়রানির শিকার হতে হয়েছিল।
আহমেদ আজম খান বলেন, এসব অনিয়মের ভেতর দিয়ে অনেক অমুক্তিযোদ্ধাও মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়ে ভাতা ও অন্যান্য অবৈধ সুবিধা গ্রহণ করেছে। আমরা এটা নিয়ে নিবিড়ভাবে কাজ করছি। আমি সংসদ সদস্যদের আশ্বস্ত করতে চাই যে, এই কাজগুলো আমরা দ্রুততম সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করে জাতির সামনে উপস্থাপন করব।
শাহজালাল বিমানবন্দর জিয়ার নামে পুনর্বহালের সিদ্ধান্ত হয়নি
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা বলেছেন, ঢাকায় অবস্থিত দেশের প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নাম পরিবর্তন করে অতীতের মতো জিয়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর করার কোনো সিদ্ধান্ত এখনো নেওয়া হয়নি। ভবিষ্যতে আলাপ-আলোচনা করে বিমানবন্দরের নাম পরিবর্তনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য সরওয়ার জামাল নিজামের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন মন্ত্রী। এর আগে সরওয়ার জামাল নিজাম তার প্রশ্নে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকে আগের নামে জিয়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে রূপান্তরের পরিকল্পনা সরকারের আছে কি না তা জানতে চান। ১৯৮০ সালে চালু হওয়া দেশের প্রধান এই বিমানবন্দরটির নাম ১৯৮৩ সালে ‘জিয়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর’ হিসেবে নামকরণ করা হয়। আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর ২০১০ সালে এর নাম পরিবর্তন করে হযরত শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর রাখে। বর্তমানে এই নাম বহাল রয়েছে।
জলবায়ু ট্রাস্টের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতে উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে : মন্ত্রী
জলবায়ু ট্রাস্টের কার্যক্রমে এবং ট্রাস্ট ফান্ড হতে প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু। গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সংসদ সদস্য এ. এম মাহবুব উদ্দিন খোকনের এক প্রশ্নের লিখিত উত্তরে মন্ত্রী এ কথা জানান। মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (ঞওই) কর্তৃক জলবায়ু পরিবর্তন তহবিলের অর্থায়নে প্রকল্প গ্রহণ বিষয়ে গত ৪ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে বিগত ১৪ বছরে ২১১০ কোটি টাকার দুর্নীতি শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয় যা দুদক কর্তৃক তদন্তাধীন রয়েছে। দুদক কর্তৃক ট্রাস্ট ফান্ডের অর্থায়নে ২০০৯-১০ হতে ২০২৩-২৪ পর্যন্ত গৃহীত প্রকল্পের তথ্যাদি চাওয়া হলে ট্রাস্ট হতে যাবতীয় তথ্যাদি প্রদান করা হয়েছে।
তিনি বলেন, ট্রাস্টের কার্যক্রমে এবং ট্রাস্ট ফান্ড হতে প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। ট্রাস্ট ফান্ডের অর্থায়নে গৃহীতবা প্রকল্পসমূহ অনলাইন প্রক্রিয়াকরণের নিমিত্ত পরিকল্পনা বিভাগের পিপিএস সফটওয়ারে অন্তর্ভুক্তকরণের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় প্রকল্প গ্রহণের নিমিত্ত প্রকল্প বাছাই গাইডলাইন প্রণয়ন করা হয়েছে। প্রকল্প অধিকতর যাচাই-বাছাইয়ের জন্য ১২ সদস্যবিশিষ্ট কারিগরি সাব কমিটি গঠন করা হয়েছে। অনুমোদিত প্রকল্পের মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদার করার জন্য ডিজিটাল মনিটরিং ব্যবস্থা চালু করার উদ্যোাগ গ্রহণ করা হচ্ছে। এছাড়াও প্রকল্প সুষ্ঠুভাবে ব্যবস্থাপনা ও জবাবদিহিতা আরও জোরদার ও নিশ্চিতকরণের জন্য ট্রাস্ট ফান্ড অর্থ ব্যবহার নীতিমালা (সংশোধিত ২০২৫) করা হয়েছে। ট্রাস্ট তহবিল এর স্থায়ী আমানত ব্যবস্থাপনার জন্য গাইডলাইন প্রণয়ন ও সংশোধন করা হয়েছে। প্রকল্প বাস্তবায়নকালীন সময়ে কোন অনিয়ম পরিলক্ষিত হলে বা কোন দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেলে তা তদন্ত পূর্বক সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক মন্ত্রণালয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে থাকে।
কৃষক কার্ডে আড়াই হাজার টাকার সার-বীজ পাবেন প্রান্তিক কৃষকরা
দেশের ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র শ্রেণির কৃষকদের জনপ্রতি দুই হাজার ৫০০ টাকার সার, বীজ ও অন্যান্য কৃষি উপকরণ দেওয়া হবে। সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে প্রি-পাইলটিং পর্যায়ে ‘কৃষক কার্ডের’ মাধ্যমে এই প্রণোদনা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।
গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে কুষ্টিয়া-১ আসনের সংসদ সদস্য রেজা আহাম্মেদের টেবিলে উত্থাপিত এক প্রশ্নের জবাবে কৃষিমন্ত্রী এসব তথ্য জানান।
কৃষিমন্ত্রী বলেন, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, কৃষকের জীবনমান উন্নয়ন, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন ও কৃষিকাজে সহায়তা করার লক্ষ্যে সরকার বিভিন্ন বাস্তবমুখী ও যুগোপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রি-পাইলটিং পর্যায়ে কেবলমাত্র ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র শ্রেণির কৃষকদের জনপ্রতি আড়াই হাজার টাকা সার, বীজ ও অন্যান্য কৃষি উপকরণের জন্য প্রণোদনা হিসেবে কৃষক কার্ডের মাধ্যমে বিতরণ করা হবে।
কৃষির উন্নয়নে সরকারের কৃষি পুনর্বাসন ও প্রণোদনা কর্মসূচির কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী জানান, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এ খাতে ৭০০ কোটি টাকা বরাদ্দের মধ্যে ইতোমধ্যে ৪০১ কোটি ৬০ লাখ টাকা ছাড় করা হয়েছে। এর মাধ্যমে ২৫ লাখ ২২ হাজার কৃষক উপকৃত হয়েছেন।
কৃষকদের ঋণ মওকুফের বিষয়ে তিনি বলেন, নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সরকার ইতোমধ্যে কৃষকপ্রতি ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ করেছে। এই কার্যক্রমে সরকারের ব্যয় হচ্ছে ১ হাজার ৫৫০ কোটি টাকা, যার সুফল পাচ্ছেন দেশের প্রায় ১২ লাখ কৃষক।
সরকার কৃষি উৎপাদনকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে জানিয়ে কৃষিমন্ত্রী বলেন, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে সার, সেচকাজে বিদ্যুৎ, ইক্ষু ইত্যাদি খাতে ২০২৬ সালের মার্চ পর্যন্ত ১৬ হাজার ২৪০ কোটি টাকা ভর্তুকি প্রদান করা হয়েছে। পাশাপাশি চলতি অর্থবছরে ভর্তুকি মূল্যে কৃষক পর্যায়ে ২৬ লাখ মেট্রিক টন ইউরিয়া, ৯ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন টিএসপি, ১০ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন এমওপি এবং ১৬ লাখ ৮৫ হাজার মেট্রিক টন ডিএপি সার সরবরাহ করা হয়েছে।
কৃষকের উৎপাদিত ফসল সংরক্ষণের সুবিধার কথা তুলে ধরে মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ আরও জানান, শাক-সবজি ও ফল সংরক্ষণের জন্য দেশে ১৮০টি মিনি কোল্ড স্টোরেজ, আলু সংরক্ষণের জন্য ৭০৩টি মডেল ঘর এবং পেঁয়াজ সংরক্ষণের জন্য ৮০০টি মডেল ঘর নির্মাণ করা হয়েছে।
সরকারের এসব বাস্তবমুখী নীতি ও পদক্ষেপ বাস্তবায়নের ফলে দেশে ধান, ভুট্টা, আলু, সবজি ও ফলসহ অন্যান্য ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং এ ধারা অব্যাহত রাখতে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ বলেও জানান কৃষিমন্ত্রী।কৃষক কার্ডে আড়াই হাজার টাকার সার-বীজ পাবেন প্রান্তিক কৃষকরা
কৃষির উন্নয়নে সরকারের কৃষি পুনর্বাসন ও প্রণোদনা কর্মসূচির কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী জানান, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এ খাতে ৭০০ কোটি টাকা বরাদ্দের মধ্যে ইতোমধ্যে ৪০১ কোটি ৬০ লাখ টাকা ছাড় করা হয়েছে। এর মাধ্যমে ২৫ লাখ ২২ হাজার কৃষক উপকৃত হয়েছেন।
কৃষকদের ঋণ মওকুফের বিষয়ে তিনি বলেন, নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সরকার ইতোমধ্যে কৃষকপ্রতি ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ করেছে। এই কার্যক্রমে সরকারের ব্যয় হচ্ছে ১ হাজার ৫৫০ কোটি টাকা, যার সুফল পাচ্ছেন দেশের প্রায় ১২ লাখ কৃষক।
সরকার কৃষি উৎপাদনকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে জানিয়ে কৃষিমন্ত্রী বলেন, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে সার, সেচকাজে বিদ্যুৎ, ইক্ষু ইত্যাদি খাতে ২০২৬ সালের মার্চ পর্যন্ত ১৬ হাজার ২৪০ কোটি টাকা ভর্তুকি প্রদান করা হয়েছে। পাশাপাশি চলতি অর্থবছরে ভর্তুকি মূল্যে কৃষক পর্যায়ে ২৬ লাখ মেট্রিক টন ইউরিয়া, ৯ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন টিএসপি, ১০ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন এমওপি এবং ১৬ লাখ ৮৫ হাজার মেট্রিক টন ডিএপি সার সরবরাহ করা হয়েছে।
সরকারি জায়গা দখলমুক্ত করতে ১৮০ দিনের অগ্রাধিকার পরিকল্পনা: ভূমিমন্ত্রী
অবৈধ দখল হওয়া সরকারি জায়গা উদ্ধার এবং উদ্ধার হওয়া খাসজমি বন্দোবস্ত দেওয়ার লক্ষ্যে সরকার ১৮০ দিনের অগ্রাধিকার পরিকল্পনাসহ মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু। একইসঙ্গে জমি দখলমুক্ত করে রক্ষণাবেক্ষণের জন্য জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) অনুকূলে অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সরকার দলীয় সংসদ সদস্য এ. এম মাহবুব উদ্দিন খোকনের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা জানান।
ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু বলেন, অবৈধ দখল হওয়া সরকারি জায়গা দখলমুক্ত করার লক্ষ্যে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে ‘ঞযব এড়াবৎহসবহঃ ধহফ খড়পধষ অঁঃযড়ৎরঃু খধহফং ধহফ ইঁরষফরহমং (জবপড়াবৎু ড়ভ চড়ংংবংংরড়হ) ঙৎফরহধহপব, ১৯৭০’, ‘ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩’ এবং ‘ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিধিমালা, ২০২৪’ প্রয়োগের মাধ্যমে অবৈধ দখলমুক্ত কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।
মন্ত্রী আরও বলেন, অবৈধ দখল হওয়া সরকারি জায়গা উদ্ধার এবং উদ্ধারকৃত খাসজমি বিদ্যমান নীতিমালা অনুযায়ী বন্দোবস্ত দেওয়ার লক্ষ্যে সরকারের ১৮০ দিনের অগ্রাধিকার পরিকল্পনায় এবং মধ্যমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনায় এ সংক্রান্ত কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
মাঠ পর্যায়ে এই কার্যক্রম বাস্তবায়নের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ভূমি মন্ত্রণালয় হতে সরকারি জায়গা দখলমুক্ত ও পরবর্তীতে তা রক্ষণাবেক্ষণের জন্য জেলা প্রশাসকদের অনুকূলে অর্থ বরাদ্দ প্রদান করা হয়েছে। পাশাপাশি এ সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।